default-image

বাতি জ্বলে ওঠার আগে ঝুঁকে মঞ্চ স্পর্শ করলেন শিল্পীরা। বাতি জ্বললে দেখা গেল ওঁরা এগারো জন। শোকের কালো ব্যাজ পরে আছে মঞ্চ। সম্মিলিত কণ্ঠে ‘মিলিত প্রাণের কলরবে’ গেয়ে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন শিল্পীরা। তারপর সম্মিলিত কণ্ঠে ‘রক্ত শিমুল তপ্ত পলাশ’। মেঝেতে মাইক্রোফোন রেখে এই শিল্পীরা মঞ্চ ছাড়লে এক এক করে একক কণ্ঠে ‘মোদের গরব মোদের আশা’, ‘কোকিলরে তুই ফাগুন মাসে’, ‘আমার মায়ের মুখের মধুর ভাষা’, ‘এই বাংলা রবিঠাকুরের-বাংলা কবি নজরুলের’, ‘ফসলের মাঠে মেঘনার তীরে’, ‘সেই থেকে শুরু দিনবদলের পালা’ গানগুলো শোনালেন ছয়জন শিল্পী। সবশেষে আবারও সম্মিলিত কণ্ঠে ‘লাখো লাখো হাত ভেঙেছে’ গানটি।
ভাষাশহীদ দিবসে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এটি ছিল ছায়ানটের আয়োজন। সকালে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানায় সংগঠনটি। সন্ধ্যায় গানের পরে দেখানো হয় সেন্টু রায় নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ৪০ মিনিটের একটি চিত্রবয়ান যাবার আগে রাঙিয়ে দিয়ে যাও। এই চিত্রবয়ানে উঠে আসে ২০০৫ সালে নেত্রকোনা উদীচীতে বোমা হামলায় নিহত অভিনেতা খাজা হায়দার হোসেন, সুদীপ্তা পাল শেলীসহ নিহতদের কথা। সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন ছায়ানটের শিল্পী এ টি এম জাহাঙ্গীর, নুসরাত জাহান, মো. সিফায়েত উল্লাহ, আফরোজা খান, মাহমুদুল হাসান, নাসিমা শাহীন।
একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটি একই সঙ্গে শহীদ দিবস, ভাষা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। জাতীয় থেকে আন্তর্জাতিক পরিসরে দিনটির তাৎপর্য অনেক। এ উপলক্ষে গতকাল সকাল ও বিকেলে রাজধানীতে ছিল নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন।

বিজ্ঞাপন
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন