এ ছাড়া জয়জয়ন্তী রাগে শেখর মণ্ডল, নরেন চক্রবর্তী পুরিয়া ধানেশ্রী রাগে, বিশ্বজিৎ জোদ্দার বেহাগ রাগে, অভিজিৎ কুণ্ডু মিয়া মল্লার রাগে সংগীত পরিবেশন করেন। পরিবেশনের তালিকায় ছিলেন আরও কয়েকজন শিল্পী। মিলনায়তন ভরে না গেলেও বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় এ উৎসবের শ্রোতাসংখ্যা নেহাত কম ছিল না।

দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন ছায়ানটের শিক্ষক অসিত দে। তিনি বলেন, ‘ইদানীং তরুণ প্রজন্মের অনেকেই শাস্ত্রীয় সংগীতে ভালো করছেন। ছোটবেলায় খুব আশা করতাম, আমাদের দেশেও শাস্ত্রীয় সংগীতের শ্রোতা, দর্শক ও শিল্পী তৈরি হবে। খুব বেশি না হলেও আজ দেখছি সেটা বেশ খানিকটা বেড়েছে। এর পেছনে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসব ও শিল্পকলা একাডেমির অবদানের কথা বলতে হয়। তবে শাস্ত্রীয় সংগীতের অনুষ্ঠান আরও বাড়ানো প্রয়োজন।’

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় শনিবার শুরু হওয়া এই উৎসব চলবে ২২ জুন পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল পাঁচটা থেকে শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে উপভোগ করা যাবে এই উৎসব।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন