শিল্পী সমিতির বাদ পড়া সদস্যরা গড়লেন নতুন সংগঠন

বিজ্ঞাপন
default-image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে বাদ পড়া ১৮৪ জন সদস্য মিলে তৈরি করলেন নতুন একটি সংগঠন। নিজেদের সদস্যপদ ফিরে পেতে গড়ে তোলা এই সংগঠনের নাম তাঁরা দিয়েছেন চলচ্চিত্র শিল্পী অধিকার রক্ষা ফোরাম। এই সংগঠনে আছে চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনয়শিল্পীদের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদও। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) এ নিয়ে বাড়ল আরেকটি সংগঠন।

সংগঠনের মূল কমিটিতে ১ জন আহ্বায়ক, ৩ জন যুগ্ম আহ্বায়ক, ১ জন সদস্যসচিব, ৪ জন যুগ্ম সদস্যসচিব, কার্যনির্বাহী সদস্য ১২ জনসহ মোট ২১ জন সদস্য আছেন। চলচ্চিত্র শিল্পী অধিকার রক্ষা ফোরামের অন্যতম উপদেষ্টা চিত্রনায়ক ওমর সানি বলেন, ‘মূলত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অধিকারবঞ্চিত সদস্যদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এই সংগঠনের জন্ম হয়েছে। সংগঠনের চিন্তাভাবনা যৌক্তিক মনে হওয়াতে আমাদের পূর্ণ সমর্থনও আছে।’

চলচ্চিত্র শিল্পী অধিকার রক্ষা ফোরামের আহ্বায়ক ফিরোজ শাহী জানান, ৮ আগস্ট সংগঠনটি গোছানোর কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবার পরিচালক ও প্রযোজক সমিতি থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর চলচ্চিত্র পরিবারে এ সংগঠন যুক্ত হয়।

এই করোনার মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে কোনো চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের খবর পাওয়া না গেলেও সংগঠনের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে মুখর ছিল চলচ্চিত্রজগৎ। সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন আর বয়কট—চলচ্চিত্র পাড়ায় শুধু এসব নিয়ে এখন বেশি আলোচনা। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বাদ পড়া সদস্যরা সংগঠনটির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের পদত্যাগে কঠোর অবস্থান নেন। এদিকে শিল্পী সমিতি বাদে চলচ্চিত্রের বাকি সংগঠনের নেতারা মিশা ও জায়েদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে তাঁদের বর্জনের আহ্বান জানান। এই প্রেক্ষাপটে সপ্তাহখানেকের মধ্যে বর্জনের আদেশ প্রত্যাহার করা না হলে শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে কর্মবিরতিতে যাওয়ার আলটিমেটাম দেওয়া হয়। সপ্তাহ পার হওয়ার পরও চলচ্চিত্রের বাকি সংগঠন নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানালে, শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু সবার একটাই কথা, মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনা করতে রাজি নন তাঁরা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন