default-image

সহস্র শিশুর কলকাকলির মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার থেকে শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী ১৩তম জাতীয় শিশু-কিশোর নাট্যোৎসব। পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন-পিটিএ আয়োজিত এ নাট্যোৎসবে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তন, পরীক্ষণ থিয়েটার হল, স্টুডিও থিয়েটার হল এবং জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে সারা দেশের ৬৫টি শিশু-কিশোর নাট্যদল নিজেদের পরিবেশনা নিয়ে অংশ নিচ্ছে। 

আজ শুক্রবার বিকেলে বর্ণিল বেলুন উড়িয়ে এ নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার ও পিটিএর উপদেষ্টা এস এম মহসিন। সভাপতিত্ব করেন পিটিএর চেয়ারম্যান ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী। উদ্বোধনের পর বের করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুরু হয় নাটকের প্রদর্শনী। জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে স্কলাস্টিকা সিনিয়র শাখা মঞ্চস্থ করে ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’। পরীক্ষণ থিয়েটার হলে রংধনু পরিবেশন করে ‘রংধনু হতে চাই’, খেয়া সাংস্কৃতিক সংস্থা ‘রূপবানের বয়স ১২ বছর’ ও হীরণ-কিরণ শিশু থিয়েটার মঞ্চস্থ করে ‘নক্তের বাসিন্দা’। স্টুডিও থিয়েটার হলে সন্ধান লিটল থিয়েটার ‘পাচার’ ও দৌড় শিশু নাট্যদল ‘ছুটি’ এবং সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে নাট্য নিকেতন ‘কালচক্র’, শিশু-কিশোর নাট্যনিকেতন ‘পুতুল নামের একটি মেয়ে’ ও কাব্যবিলাসের মঞ্চস্থ করে ‘ছ্যাঁচড়া চোর’। প্রদর্শনী শেষে প্রত্যেক দলের নির্বাচিত একজন শিশুশিল্পীর হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘মঞ্চকুঁড়ি পদক’। এ ছাড়া নাটক শুরুর আগে নাট্যদলের একজন শিল্পী একক অভিনয়ে অংশ নেয়।

বিজ্ঞাপন
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন