default-image

খালিদ মাহমুদ মিঠুর জোনাকির আলো দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে সীমান্তপারের সেরা চলচ্চিত্রের সম্মান পেল। সেই সঙ্গে ভারতের সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিল চূর্ণী গাঙ্গুলী অভিনীত ও পরিচালিত নির্বাসিত। শনিবার দিল্লিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের পরিচালক খালিদ মাহমুদ মিঠুর জোনাকির আলোর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল পাকিস্তানের একাধিক ছবি। বাংলাদেশের আর এক পরিচালক মুরাদ পারভেজের বৃহন্নলা-ও এই উত্সবে উচ্চ প্রশংসিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সীমান্তপারের সেরা ছবির শিরোপা পান খালিদ মাহমুদ মিঠু। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই পুরস্কার তাঁকে আরও এগোতে উদ্দীপ্ত করবে।
নির্বাসিত অভিনেত্রী চূর্ণী গাঙ্গুলীর প্রথম পরিচালনা। বাংলাদেশের লেখিকা তসলিমা নাসরিন ও তাঁর পোষ্য বিড়াল মিনুর সম্পর্ক এই ছবির বিষয়। তসলিমা যখন কলকাতা থেকে বিতাড়িত হন, তখন তিনি মিনুকে নিয়ে যেতে পারেননি। তাঁদের এই ছাড়াছাড়ি, দুজনের একাকিত্ব, বিরহ, বেদনার অনুভূতি নিয়েই এই ছবি। গোটা ছবিতে তসলিমা অনুচ্চারিত। যদিও না থেকেও প্রবল তাঁর উপস্থিতি। কখনো ‘ম্যাডাম’, কখনো ‘উনি’, কখনো বা ‘আপনি’। এই ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চূর্ণী নিজেই।
নির্বাসিত এখনো বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি পায়নি। মুম্বাই উৎসবে প্রথম প্রদর্শন। দিল্লিতে সেরার পুরস্কার। চূর্ণী আশা করছেন, আগামী বছরের মাঝামাঝি কলকাতায় মুক্তি পাবে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা মনে করেন, সেটা খুব ভালো হবে। মানুষের সঙ্গে পোষ্যর সম্পর্ক নিয়ে খুব কম ছবিই হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন