default-image

মহানায়িকার মহাপ্রয়াণে শোকাচ্ছন্ন গোটা ভারত। সবচেয়ে বেশি শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গনে। বলিউড থেকে টালিউডে বয়ে যাচ্ছে শোকবার্তার স্রোত। প্রায় সবাই টুইটারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শোক জানিয়েছেন।
শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও।
মনমোহন সিং
অসাধারণ অভিনয় দিয়ে লাখো লাখো ভারতীয়র হূদয়ে চিরদিনের জন্য জায়গা করে নিয়েছেন সুচিত্রা। তিন দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কী বৈচিত্র্যময় অভিনয়ই না তিনি করেছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্র, বিশেষ করে বাংলা ছবিতে তাঁর অবদান অনন্য।দিলীপকুমার
সুচিত্রা সেন গ্রেট আর্টিস্ট। সৌন্দর্যের সঙ্গে বুদ্ধিটাও কীভাবে মিশে যায়—তা সুচিত্রার মধ্যে প্রথম দেখি। ওর ব্যক্তিত্বটাও ভীষণ আকর্ষণ করেছিল। এ রকম আর্টিস্টকে আমার শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছা করে।
অমিতাভ বচ্চন
সুচিত্রা সেন—সৌন্দর্য, প্রতিভা আর বৈরাগ্য। অবিশ্বাস্য অভিনয়দক্ষতা দিয়ে তিনি বাংলা ছবিকে অলংকৃত করেছেন, হিন্দি ছবিও।
সুপ্রিয়া দেবী
আসলে রমাদির সঙ্গে উত্তমকুমার সম্পূর্ণ একটা রোমান্টিক জুটি। উত্তমকুমারের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি তো সুচিত্রা সেনকেই মানিয়েছিল। সুচিত্রা-উত্তম জুটি এতই রোমান্টিক, ও রকম জুটি আর হয়ওনি। আমার তো চিরকালের ফেভারিট রমাদি। শুধু অভিনেত্রী বা সুন্দরী বলে নয়, মানুষ রমাদি, মানুষ সুচিত্রা সেন আমার খুবই প্রিয়।
মাধবী মুখোপাধ্যায়
ভেবেছিলাম উনি এবারও ভালো হয়ে ফিরবেন। সুচিত্রা সেন নেই সেটা ভাবতে পারছি না।
রঞ্জিত মল্লিক
মনে পড়ছে পুরোনো দিনের নানা স্মৃতি। সেই দেবী চৌধুরাণী ছবির কথা। তাঁর মৃত্যুর খবরটা শোনার পর থেকে খুব কষ্ট হচ্ছে।
মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়
ওনার ভুবন ভোলানো হাসির কথা আজও ভুলতে পারছি না। এত জনপ্রিয় শিল্পী আমি আর দেখিনি।

মিঠুন চক্রবর্তী
আমার কাছে তিনি ছিলেন চলচ্চিত্রজগতের ১ নম্বর তারকা। আমি তাঁর অভিনীত হারানো সুর ১৪ বার আর সপ্তপদী দেখেছি ১১ বার। অপূর্ব অভিনয়। অভিনয়ে তাঁর ছিল এক আলাদা ধরনের ম্যাজিক।

গৌতম ঘোষ
বাঙালি অত্যন্ত প্রিয় একজন নারীকে হারালাম। সুচিত্রা যদি ফিরে আসতেন তাহলে তাঁকে নিয়ে ছবি তৈরির খুব ইচ্ছা ছিল। সে সুযোগ আর হয়নি, কারণ উনি স্বেচ্ছা-অবসর নিলেন। সুচিত্রা সেনের সময়টাতে বাঙালি মধ্যবিত্তের মধ্যে একধরনের রোমান্টিকতার ব্যাপার ছিল। তা এখন পাল্টে গেছে। তখন সুচিত্রা সেন, উত্তমকুমার, ছবির গল্প, গান—সব মিলে সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। টেলিভিশন ছিল না। সবাই হলগুলোতে যেতেন। ছবিগুলো খুব উপভোগ করতেন। সুচিত্রা সেন তাঁর স্মৃতিটুকু থাক ছবির মতোই বেঁচে থাকবে সবার হূদয়ে।

অপর্ণা সেন
এত বড় মাপের নায়িকার আর জন্ম হয়নি। উত্তর ফাল্গুনী ছবির শুটিং দেখেছিলাম আমি। তখনই বুঝেছিলাম কত বড় মাপের শিল্পী তিনি।

শ্রীদেবী
সুচিত্রা ছিলেন অসামান্য অভিনয়শিল্পী, স্বর্গীয় সৌন্দর্য, কিংবদন্তি, আইকন। তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবেন।

মাধুরী দীক্ষিত
সুচিত্রা সেনের আত্মা শান্তি পাক। ভারতীয় চলচ্চিত্র তাঁর শূন্যতা অবশ্যই অনুভব করবে।

প্রসেনজিৎ
সুচিত্রা সেনের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত
সুচিত্রা সেনের প্রতিভা, অভিনয়, ব্যক্তিত্ব মেপে নির্ণয় করা যাবে না।

গ্রন্থনা: অমর সাহা, কলকাতা প্রতিনিধি

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0