default-image

পাহাড়ি জনপদে মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে ‘মানবিক সৌন্দর্যের জন্য কবিতা’ শিরোনামে ‘কবিতার শান্তিযাত্রা’ শুরু করলেন কবিরা। আজ রোববার রাতে রাজধানীর মালিবাগ থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু হয়।
কবিতাবাংলার আয়োজনে এই ‘শান্তিযাত্রা’র নেতৃত্ব দিচ্ছেন কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা। তিনি জানান, কবিতাবাংলার আয়োজনে এবার কক্সবাজারের অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনের ‘দরিয়ানগর কবিতা মেলা’। সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় কক্সবাজার শহীদ মিনারে শুরু হবে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। কবিরা কক্সবাজারের বিভিন্ন অঞ্চলকে বলছেন ‘দরিয়ানগর’।
কবিদের যাত্রার রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর কারিতাস অডিটোরিয়ামে কবিরা একত্রিত হন। অনুষ্ঠানে কবিতা বাংলার নতুন সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন কবিরা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কবি আজাদ মান্নান, সভাপতিত্ব করেন কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা। এসেছিলেন কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী, ঝর্ণা রহমান, ফরিদ আহমেদ দুলাল। সেখানে বাঙালি কবিদের সঙ্গে যোগ দেন ভারতের শাকিল আহমেদ নেপালের কবি কিরণ ভট্ট। অনুষ্ঠানে উৎসব ঘোষণা পাঠ করেন কবি ইসহাক খান। তিনি বলেন, ‘আমরা বেদনার সঙ্গে লক্ষ্য করছি, ধর্মে-ধর্মে ভেদাভেদ। আমরা দেখছি পৃথিবীজুড়ে অমানবিক রক্তপাত, খুনে রাঙা হচ্ছে জনপদ। এসব ঘটনা আমাদের সৃষ্টিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করে। আমরা এই রক্তপাতকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা অপশক্তির বিনাশ চাই, সৃষ্টিশীলতার বিকাশ চাই।’ এবারের উৎসবে ভারত থেকে আরও যোগ দেবেন কবি মৃণাল বসু চৌধুরী ও মানসী কীর্তনীয়া। নেপালের কবি শুভাস সিংহ পারাজুলিওর আসার কথা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় শান্তি বার্তা পাঠ করবেন কবি মুহিত নুরুল হুদা। সকাল সাড়ে ১১টায় হুদা কবিতা মঞ্চে শুরু হবে কবিতা পাঠ। তারপর সমুদ্রপাড়ে বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে বেড়াবেন কবিরা, শোনাবেন মানবিকতার কবিতা। মৌলবাদ, উগ্রবাদের থাবায় ক্ষতবিক্ষত গ্রাম ঘুরে দেখবেন তারা। তারা কথা বলবেন স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে।
বিকেলের পর্বটি হবে কক্সবাজার কালচারাল সেন্টারে। সেখানে কবিতার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, গান ও নাটিকা প্রদর্শনীর আয়োজন থাকবে বলে জানান আয়োজকেরা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন