বিজ্ঞাপন

এই বলিউড সুপারস্টারের সঙ্গে শুরুতে কাজ করতে নূপুরের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যেত। তবে পরে অক্ষয় তাঁকে সহজ করে দিয়েছিলেন। অক্ষয়ের প্রসঙ্গে নূপুর বলেন, ‘ওনার স্বভাব এমন ছিল যে আমি সহজে কাজ করতে পেরেছিলাম।

default-image

আর উনি এতটাই অভিজ্ঞ যে কোনো কঠিন দৃশ্য এক চুটকিতে করে দিতেন। ওনার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমাকে অনেক হোমওয়ার্ক করতে হয়েছে। চড়া রোদের মধ্যে ভারী অলংকার আর পোশাক পরে আমায় শুটিং করতে হতো। আমার জন্য এটা অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। উনি সব সময় আমাকে ভ্যানিটি ভ্যানে কম থাকার কথা বলতেন।

default-image

বলতেন আমি যেন সেটে ক্রু-সদস্য, সহপরিচালক বা অন্যদের সঙ্গে বেশি করে কথা বলি। নিজের পরিচিতি যেন আরও বাড়াই। বহির্বিশ্বের চলচ্চিত্রজগৎ সম্পর্কে নিজেকে আরও আপডেট করার কথা বলতেন। আমি ওনার কথামতো চলতাম। উনি জীবনে অনেক চড়াই-উতরাই দেখেছেন। আর ওনার পরামর্শ আমার জন্য বিশেষ কিছু। অক্ষয় স্যারসহ অন্য কেউ আমাকে অনুভব করাননি যে আমি নতুন।’

default-image
‘ফিলহাল টু মহব্বত’ ভিডিটিও দারুণ সফলতা পেয়েছে। মুক্তির তিন দিনের মধ্যে ১১৫ মিলিয়ন ভিউ। এই গানের নায়িকা নূপুর আবার ঝড় তুলেছেন। নূপুরের আরেক পরিচয় বলিউড নায়িকা কৃতি শ্যননের তিনি বোন।

নূপুর জানিয়েছেন, অক্ষয়ের সঙ্গে শুটিং করার অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা। শুটিংয়ের জন্য মাঝরাতে তাঁকে সাজগোজ করতে বসতে হতো।

default-image

এ প্রসঙ্গে এই নবাগতা বলেছেন, ‘মাত্র চার দিনের মধ্যে আমরা গানটির শুট করেছিলাম। তা আবার অদ্ভুত সময়ে। কারণ, অক্ষয় কুমার ভোর চারটা থেকে শুটিং শুরু করে দিতেন। তাই রাত দুটো থেকে প্রস্তুতি নিতে শুরু করতাম। আমার চুলের স্টাইল আর প্রসাধন তিনটা পঞ্চাশের মধ্যে শেষ করে ফেলতে হতো।’

default-image
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন