অমিতাভের মন খারাপ, রাখিবন্ধনের দিনে অভিষেক হাসপাতালে

বিজ্ঞাপন
default-image

সমালোচকেরা এমনিতেই রসিকতা করে বলতেন, বেকার ছেলেকে নিয়ে অমিতাভের বড় চিন্তা। ঘরে তাঁর একমাত্র ছেলে, বেকার! এমন রসিকতা নির্মম হবে। যেখানে অমিতাভ কয়েক ঘণ্টা আগে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। ছেলে এখনো হাসপাতালে। এর মধ্যেই রাখিবন্ধন উৎসব মুম্বাইয়ের ঘরে ঘরে।

default-image

রোববার বাড়ি ফিরেছেন অমিতাভ বচ্চন। তিনি এখন করোনাজয়ী। কোভিড-১৯ নেগেটিভ। কিন্তু ছেলে অভিষেক বচ্চন এখনো হাসপাতালের কেবিনে। মন খারাপ করা সোমবার সকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন,‘ছেলের জন্য খারাপ লাগছে। রাখিবন্ধনের দিন ঘরের ছেলে ঘরে নেই। আজ খুব মিস করব ওকে।’ অমিতাভ আরও লিখেছেন ‘করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ফিরে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে বটে। কিন্তু যখন ভাবছি অভিষেক এখনো চিকিৎসাধীন, তখন মুখে খারাপ লাগছে। মুখে কোনো স্বাদ পাচ্ছি না।’

default-image

টুইটে আগের দিন অর্থাৎ গতকাল রোববার বিকেল ৫টা ১৭ মিনিটে বাবার কোভিডমুক্ত হওয়ার খবর জানিয়েছেন অভিষেক। কিছুক্ষণ পর ৫টা ২২ মিনিটে তিনি নিজের হাসপাতালে অবস্থানের কথাটিও জানিয়েছেন টুইট বার্তায়। একই সময়ে হাসিমুখে হাতজোড় করা নিজের একটা ছবিও পোস্ট করলেন অমিতাভ বচ্চন। ছবির ওপরে বড় বড় অক্ষরে হিন্দিতে লেখা ‘ধন্যবাদ’। এবং তিনি আরও ‘সর্বশক্তিমানের করুণা, মা-বাবুজির আশীর্বাদ, কাছে-দূরের বন্ধু ও ভক্তদের প্রার্থনা-দোয়া এবং নানাবতী হাসপাতালের অসাধারণ সেবার জন্যই আমি আজকের দিনটা দেখতে পেলাম। আমি কোভিড নেগেটিভ। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি এসেছি। এখন ঘরে কোয়ারেন্টিনে রয়েছি।’

default-image

গতকাল টুইটারে বাবা অমিতাভের কোভিড নেগেটিভের খবর দেওয়ার কিছুক্ষণ পর নিজের সর্বশেষ অবস্থা জানান অভিষেক। তিনি লিখেছেন,‘ভাগ্য খারাপ আমার। কিছু কো-মর্বিডিটির কারণে আমি এখনো কোভিড-১৯ পজিটিভ এবং হাসপাতালেই আছি। আপনাদের প্রার্থনায় আমি অভিভূত। আমি এটাকে (করোনা) হারিয়ে আরও সুস্থ হয়ে ফিরে আসব। কথা দিলাম।’

বচ্চন পরিবারের চার সদস্য একসঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হন। ১১ জুলাই বিগ বি ও অভিষেক করোনায় সংক্রমিত হয়ে মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও আরাধ্যর শরীরেও করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু তাঁরা বাসাতেই কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে বাড়িতে চিকিৎসা চললেও শ্বাসকষ্ট হওয়ায় তাঁদের গত ১৭ জুলাই নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ১১ দিন পর ২৮ জুলাই করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান ঐশ্বর্য এবং আরাধ্য। তবে চিকিৎসা চলছিল সিনিয়র ও জুনিয়র বচ্চনের। গতকাল অমিতাভের মুক্তি মিলল। এখন অমিতাভ পরিবারের দুশ্চিন্তা অভিষেককে নিয়ে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন