default-image

“কেজিএফ টু” এমন এক ছবি হতে চলেছে, যা দর্শককে সবদিক থেকে মুগ্ধ করবে। আমি নিশ্চিত যে দর্শক বাস্তব দুনিয়ার সব দুশ্চিন্তা ভুলে “কেজিএফ”-এর দুনিয়ায় তখন বসবাস করবেন।’ আর তাঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেছে। এবার ‘কেজিএফ থ্রি’ নিয়ে যশ বলেছেন, ‘রকির জীবনে আর এই ছবির সঙ্গে জড়িয়ে বেশ কিছু দিক আছে, যা এর তৃতীয় চ্যাপটারে দেখা যাবে। আমি আর প্রশান্ত নীল (পরিচালক) তৃতীয় চ্যাপটার নিয়ে অনেক ভাবনাচিন্তা করছি। অনেক কিছু আছে, যা চ্যাপটার টুতে দেখাতে পারিনি, চ্যাপটার থ্রিতে সেগুলো সৃষ্টি করব।’

এই প্যান ইন্ডিয়া সুপারস্টার আরও বলেছেন, প্রশান্ত নীল শুরুতে ভেবেছিলেন একটা পর্বে সমগ্র গল্পটা তুলে ধরবেন। কিন্তু শুটিং চলাকালে তিনি ছবিটি দুটি ভাগে ভাগ করার কথা ভাবেন। আসলে প্রশান্তর মনে হয়েছিল যে একটা পর্বে ছবিটা দেখাতে গিয়ে কিছু কিছু দৃশ্যের সঙ্গে তাঁকে সমঝোতা করতে হচ্ছে। আর তাই তখন ছবির আবেগের দিকটা দুর্বল হয়ে যাচ্ছিল। সেই কারণে ছবিটি দুটি ভাগে ভাগ করেন প্রশান্ত। আর এখন মনে হচ্ছে এর তৃতীয় ভাগ আসা জরুরি।

সারা দুনিয়ায় ‘কেজিএফ টু’র দাপট অব্যাহত আছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই ছবি ৯২৬ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। ট্রেড বিশ্লেষকদের মতে, খুব শিগগির যশের ছবিটি হাজার কোটি পার করে ফেলবে। ‘দঙ্গল’ ২ হাজার ৭০ কোটি, ‘বাহুবলী টু’ ১ হাজার ৮১০ কোটি, ‘আরআরআর’ ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার অধিক ব্যবসা করেছে। তাই এখন দুনিয়াজুড়ে সবচেয়ে বড় ভারতীয় ছবি হিসেবে চতুর্থ স্থানে আছে ‘কেজিএফ টু’। তবে ছবিটি যে দ্রুতগতিতে ছুটছে, তাতে খুব শিগগির সব হিসাব-নিকাশ উল্টে-পাল্টে দিতে পারে। যশের ছবিটি হিন্দি সংস্করণে দারুণ ব্যবসা করেছে। এই প্যান ইন্ডিয়া ছবিটি মুক্তির মাত্র ১৩ দিনে হিন্দি ভাষাতে ৩২৯ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করেছে। আর দেশজুড়ে ‘কেজিএফ’-এর এই সিকুয়েল ছবিটি আয় করেছে ৬৬০ দশমিক ৫০ কোটি টাকার অধিক।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন