বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তিনি আরও বলেন, ‘আমার পরিবার এবং বন্ধুদের সব ফোন কল আমার মনে আছে। তাঁরা সব সময় বলতেন, দর্শক আমাকে পছন্দ করবে, কারণ আমি আমার সেরাটা দিয়েছি। আমি ইন্ডাস্ট্রির বাইরে থেকে এসেছিলাম। আমি তখন নিজেই নিজের ভাগ্য লেখা শুরু করেছিলাম। আমার জন্য কী অপেক্ষা করছে, তা দেখার তর সইছিল না। আমি সবকিছুর জন্য “ভিকি ডোনার” ছবির দলের কাছে কৃতজ্ঞ।’
এই দুর্দান্ত অভিষেকের সব কৃতিত্ব ‘ভিকি ডোনার’ ছবির পরিচালক সুজিত সরকারকে দিতে চান আয়ুষ্মান। তিনি বলেন, ‘এই ছবির জন্য সুজিত সরকার আমাকে পছন্দ করেছেন এবং আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। তাই আমি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। আমি রনি লাহিড়ী আর জুহি চতুর্বেদির কাছেও কৃতজ্ঞ। “ভিকি ডোনার” এমন একটা ছবি যা ভারতীয় সিনেমার ভাষা বদলের চেষ্টা করেছিল। আর আমি এই ছবির অংশ হতে পেরে গর্ব করছি।’

default-image

‘ভিকি ডোনার’ ছবির অসামান্য সফলতার পর আয়ুষ্মানের মনে হয়েছিল, দর্শক পর্দায় এক নতুন নায়ককে দেখতে চান। ‘ভিকি ডোনার’ ছবি প্রসঙ্গে আয়ুষ্মান বলেন, ‘এটা এমন এক ছবি, যা আমাকে স্বপ্ন দেখতে, সাহসী হতে শিখিয়েছিল। দর্শক পর্দায় তথাকথিত নায়ক নয়, তাঁরা অন্য ধরনের এক নায়ককে দেখতে চেয়েছিলেন। তাঁরা একটি ভালো, আস্থাশীল ও নতুন ধারার সিনেমার অপেক্ষায় ছিলেন। “ভিকি ডোনার” ছবির সফলতার হাত ধরে আমি আমার পছন্দের সিনেমার মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রির প্রথাগত ধারা ভাঙতে পেরেছিলাম। আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই প্রয়াস আমি আগামী দিনগুলোতেও চালিয়ে যাব।’
আয়ুষ্মান খুরানাকে পর্দায় শেষ দেখা গেছে সুজিত সরকার পরিচালিত ‘গুলাবো সিতাবো’ ছবিতে। এই ছবিতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন অমিতাভ বচ্চন।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন