default-image

হিন্দি সিনেমা দারুণ পছন্দ ইসাবেলা কাইফের। ছবি দেখতেন আর মনে মনে ভাবতেন, একদিন এই ইন্ডাস্ট্রির অভিনেত্রী হবেন। শৈশবের সেই ইচ্ছা ও আগ্রহের কথাই জানালেন বলিউডের এই তরুণ অভিনেত্রী।
ইসাবেলার বলিউডে অভিষেক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা জল্পনাকল্পনা চলছিল। ক্যাটরিনা কাইফ চেয়েছিলেন ধুমধাম করে বোনের অভিষেক করাতে। এমনকি সালমান খানও ইসাবেলাকে বলিউডে নিয়ে আসতে আগ্রহী ছিলেন। অবশেষে ‘টাইম টু ড্যান্স’–এর মাধ্যমে ইসাবেলা হিন্দি ছবির জগতে পা রাখেন। নিজের বলিউডি অভিষেক নিয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি। কারণ, ইসাবেলা নাচ করতে ভীষণ ভালোবাসেন। ছোটবেলায় বলিউডের গানের সঙ্গে তাল মেলাতেন তিনি।

বিজ্ঞাপন
default-image

‘টাইম টু ড্যান্স’ ছবি নিয়ে বলিউডের এই নবাগত নায়িকা বলেন, ‘আমি বেশ কিছু ছবির জন্য অডিশন দিয়েছিলাম। ‘টাইম টু ড্যান্স’–এর মধ্যে একটি। আমার ক্যারিয়ারের প্রথম ছবিটি নাচ নিয়ে। আর ছোটবেলা থেকেই আমি নাচ ভালোবাসি, নাচ নিয়ে পাগল ছিলাম। বলিউডে নাচকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই আমার কাছে প্রথম ছবিই চ্যালেঞ্জিং ছিল, আমি ছবিটিতে অভিনয় করতেও মজা পেয়েছি।’
বড় বোন ক্যাটরিনা কাইফ আগেই বলিউডে নিজের ক্যারিয়ার গড়েছেন। বোনকে দেখেই কি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন ইসাবেলা? বললেন, ‘আমার বোন অভিনেত্রী, এ কারণে অভিনয়ের দিকে আমার আকর্ষণ—এমনটি নয়। আমি কৈশোর থেকেই অনেক হিন্দি সিনেমা দেখতাম, অভিনয় করতে পছন্দ করতাম। হিন্দি ছবির মধ্যে আমি বেঁচে থাকতাম। ইন্ডাস্ট্রিকে বদলাতে দেখেছি। আমি যাব উই মেট, লগান অসংখ্যবার দেখেছি। আমাকে বরাবরই অভিনয়জগৎ হাতছানি দিত।’

default-image

বলিউডে পা রাখার আগে থেকেই বোন ক্যাটরিনার সঙ্গে তুলনা শুরু হয়ে যায়। শুরুতে একটু অস্বস্তি হলেও এখন গা সওয়া হয়ে গেছে তাঁর। ইসাবেলা বলেন, ‘শুরু থেকেই আমার সঙ্গে এটা হচ্ছে। এখন এটা আমার অভ্যাস হয়ে গেছে, এখন আমার বিরক্ত লাগে না।’
চলতি বছরের ১২ মার্চ মুক্তি পেয়েছে ইসাবেলা অভিনীত ‘টাইম টু ড্যান্স’। স্ট্যানলি ডিকস্টা পরিচালিত এ ছবিতে ইসাবেলার বিপরীতে ছিলেন সুরজ পাঞ্চোলি। এরপর তাঁকে সালমানের ভগ্নিপতি আয়ুশ শর্মার ছবিতে দেখা যাবে।

বিজ্ঞাপন
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন