হিন্দিতে অভিষেকের আগেই অবশ্য রাশমিকার গায়ে জাতীয় ক্রাশ-এর তকমা লেগে গেছে। দক্ষিণের অভিনয়ের মাধ্যমে উত্তর ভারতের সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে পাকাপাকি জায়গা করে নিতে চান তিনি। এ প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রাশমিকা বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর আমার জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে আমি অনন্য অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চলেছি। কারণ, এ বছর অনেক পরীক্ষা–নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একদিকে আমার বলিউডে অভিষেক নিয়ে খুশি, অন্যদিকে টেনশনে হাত–পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।’ এই দক্ষিণি রূপসী আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রতিটা অংশ আলাদা। সংস্কৃতিও ভিন্ন। তাই একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে দর্শকদের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতাও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের। তাই নার্ভাস হওয়া স্বাভাবিক। কৌতূহল হচ্ছে, দর্শক আমাকে কীভাবে গ্রহণ করবেন, কতটা আপন করে নেবেন। আশা করি যে তামিল, কন্নড় ছবির মতো হিন্দি ভাষার সিনেমাতেই নিজেকে উজাড় করে দেব। তবে এটাকে আমি চাপ হিসেবে নিতে চাই না। আমি আশাবাদী, অভিনয়গুণে তাঁদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারব।’

default-image

মিশন মজনু ছাড়া রাশমিকার ঝুলিতে আছে অ্যানিমেল ও গুডবাই ছবি দুটি। সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা পরিচালিত অ্যানিমেল–এ অন্য রূপে আসতে চলেছেন রাশমিকা। এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে আছেন রণবীর কাপুর। এ প্রসঙ্গে রাশমিকা বলেন, ‘সন্দীপ স্যার আমার পুষ্পা ছবিটি ভীষণ উপভোগ করেছিলেন। তিনি এই ছবির প্রস্তাব দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি হ্যাঁ বলি। কারণ, আমার বিশ্বাস ছিল, এই ছবির মাধ্যমে দর্শক আমার অন্য ধরনের কাজের সাক্ষী হবেন।’

রণবীর কাপুরের সঙ্গে প্রথমবার দেখা প্রসঙ্গে এই দক্ষিণি–কন্যা বলেছেন, ‘লুক টেস্টের সময় প্রথমবার রণবীরের সঙ্গে আমার দেখা হয়। নিজে গিয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপ করি। তখন একটু ঘাবড়ে ছিলাম। কিন্তু রণবীর আমাকে সহজ করে দেন। তখন স্বচ্ছন্দবোধ করছিলাম। সন্দীপ স্যার দেখতে চেয়েছিলেন যে আমাদের জুটি পর্দাতে কেমন লাগে। তিনি প্রথম ঝলকে আমাদের একসঙ্গে দেখে খুব খুশি হয়েছিলেন। রণবীর ও আমি দুজনই অনেক পরিশ্রম করেছি। কারণ, আমরা সন্দীপ স্যারকে খুশি দেখতে চেয়েছি।’

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন