বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধির সঙ্গে এক ভার্চ্যুয়াল সাক্ষাৎকারে ছবিটি সম্পর্ক একরাশ উচ্ছ্বাস নিয়ে ম্রুণাল বলেন, “তুফান”–এ আমি একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছি।

default-image

রাকেশ (ওমপ্রকাশ মেহরা) স্যারের মতো পরিচালক। ফারহান (আখতার), পরেশ (রাওয়াল) স্যার, সুপ্রিয়া (পাঠক) ম্যাম, হুসেন দলালের মতো সব অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেছি। ছবির সেটে পরিচালকের কাছে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণ করেছিলাম। ফারহানের থেকে শিখেছি শর্টকাট বলে জীবনে কিছু হয় না। দেখেছি চরিত্রের মতো হয়ে উঠতে ফারহানের অসীম নিষ্ঠা, একাগ্রতা, আর নিরলস পরিশ্রম। ওর থেকে “ভাগ মিলখা ভাগ”, “জিন্দেগি না মিলেগা দোবারা”র গল্প শুনে আরও উদ্বুদ্ধ হতাম।

default-image

অনেক কিছু জানতে, শিখতে পারতাম। ফারহানের মুখে শুনেছি “ডন” ছবি পরিচালনার কথা। আর এসব গল্প শুনে মনে পরিচালনার ইচ্ছে জেগেছে। আগামী দিনে পরিচালনা করার ইচ্ছে আছে।’

default-image

এই মুহূর্তে ম্রুণালের হাতে দারুণ দারুণ সব ছবি। এসব ছবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে আমাকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখতে পাবেন। শহীদ কাপুরের সঙ্গে “জার্সি”তে আছি। “পিপ্পা”তে আমি এক ব্যতিক্রমী চরিত্রে অভিনয় করছি। এই ছবিতে আমার সঙ্গে আছে ঈশান খট্টর। আমার মনে হয় এই ছবির পর মানুষের বলিউডি নায়িকা সম্পর্কে ধারণা বদলাবে। মেয়েদের আগে তারা আর অবলা, বেচারি—এই ট্যাগগুলো জুড়বে না। আগস্টের শেষের দিকে এই ছবির শুটিং শুরু হবে। আর “আঁখ মিচোলি” ছবিতে আপনাদের ভরপুর আনন্দ দেব।’

default-image

শহীদ আর ঈশান—এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে ম্রুণাল বলেন, ‘শহীদের সঙ্গে সবেমাত্র “জার্সি” ছবির কাজ শেষ করেছি। ঈশানের সঙ্গে মাত্র কিছুদিনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। “পিপ্পা”র কাজ সেভাবে শুরু হয়নি। আর তারই ভিত্তিতে আমি দুই ভাইয়ের মধ্যে কিছু মিল খুঁজে পেয়েছি। আমার মনে হয়েছে, শহীদ আর ঈশান দুজনই অত্যন্ত পরিশ্রমী। দুজনেই দুর্ধর্ষ অভিনেতা। শহীদের সামনে কাজ করতে রীতিমতো ভয় লাগত। নিজেকে ওর লেভেলে নিয়ে গিয়ে অভিনয় করা আমার জন্য কঠিন ছিল। আর এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে আমার এক আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। মনে হয় আমরা একই পরিবারের সদস্য।’

default-image

ফারহান আখতার, হৃতিক রোশন, জন এব্রাহাম, শহীদ কাপুরের মতো বলিউড সুপারস্টারের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি। এঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে আজও তাঁর দারুণ সম্পর্ক।

default-image

ম্রুণাল বলেন, ‘অনেকের ধারণা, বলিউডে ছবি শেষ মানে বন্ধুত্ব শেষ, এটা একদম ভুল ধারণা। আমার ক্ষেত্রে মোটেও তা হয়নি। আজও ফারহান, হৃতিক, জন, শহীদের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব অটুট। এদের সবাইকেই আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। প্রিয়াংশু পেন্যুলি আমার ভালো বন্ধু। তবে আর সবার চেয়ে শহীদের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব একটু বেশি। ওর সঙ্গে নিজেকে সংযোগ করতে পারি। এদিকে ফ্রেডার (পিন্টো) সঙ্গে আমার দারুণ সম্পর্ক। আমরা একে অপরের ভালো বন্ধু। সবকিছু একে অপরকে শেয়ার করি। সব সময় একে অপরের পাশে দাঁড়াই।’

default-image

শেষ পর্যায় দুজন মানুষের কথা বিশেষ করে বলেন ম্রুণাল, ‘“লাভ সোনিয়া”র পরিচালক তাবরেজ নুরানি আর করণ জোহর—এ দুজনের অবদান আমার ক্যারিয়ারে অনেকখানি। আমি বলিউডে আসার আগেই করণ স্যর আমাকে নানান পরামর্শ দিয়েছেন। এঁরা দুজনে সব সময় আমাকে সঠিক পথে চালনা করেছেন। এঁদের আমি মেন্টর হিসেবে মানি।’

default-image
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন