বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ দম্পতি জানান, সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হওয়ায় নবজাতককে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছিল। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দিয়া মির্জা নানা জটিলতায় ভুগেছিলেন। এমনকি তীব্র ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণও হয়েছিল। অবশেষে চিকিৎসকদের কল্যাণে ইমার্জেন্সি সি-সেকশনের মাধ্যমে নিরাপদে সন্তান প্রসব করেন এ নায়িকা।

ছেলের হাত ধরে থাকা একটি ছবি পোস্ট করে দিয়া লেখেন, ‘ছোট্ট মানুষটাকে যখন দেখি মনটা ভরে যায় বিস্ময়ে। বাবুটা আমাকে শেখায় এই বিশাল দুনিয়াকে ভালোবাসতে, মা হওয়ার অনুভূতিকে শ্রদ্ধা জানাই। বিনয়ী হওয়াও বাবুটা আমাদের প্রতিমুহূর্তে শেখাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ছোট্ট অভয়নকে কোলে নেওয়ার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন ওর নানা, নানি ও অন্যরা। দ্রুত ও সবার কাছে বাড়িতে ফিরবে। অনেকেই হয়তো ভাবছেন দুই মাস এই খবর কেন প্রকাশ করিনি। বিশ্বাস করুন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে নিশ্চয় জানাতাম।’

default-image

মহামারির ঘরবন্দী দিনে পরিবেশবাদী দিয়া মির্জার দিন কেটেছিল বারান্দায় আর বাড়ির সামনে বাগানে গাছ লাগিয়ে, গাছের পরিচর্যা করে। পোষা কুকুরের মৃত্যুর পর সেটাকে বাড়ির আঙিনায় মাটিচাপা দিয়ে সেখানে লাগিয়েছেন এক দোলনচাঁপা। গাছের গায়ে ছোট ছোট পাত্র ঝুলিয়ে দিয়েছেন, যাতে পাখিরা পানি পায়।

default-image

বছরের শুরুতে বাংলাদেশের মতো ভারতেও সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছিল। নতুন স্বাভাবিক সময়কে সাক্ষী রেখে গত ফেব্রুয়ারিতে বসন্তের দ্বিতীয় দিনে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ২০০০ সালের মিস ইন্ডিয়া ও সাবেক মিস এশিয়া প্যাসিফিক দিয়া মির্জা। এর ভেতর দিয়ে ব্যবসায়ী বৈভব রেখির সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেন দিয়া।

বিয়ের পর মালদ্বীপে হানিমুনে গিয়েছিলেন দিয়া মির্জা। সেখান থেকেই বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটি দেন নায়িকা। মালদ্বীপে সূর্যাস্তের সামনে দাঁড়িয়ে বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করে দিয়া লিখেছিলেন, ‘এটা আশীর্বাদের মতো। জীবনের জন্ম। যে জীবন নতুন এবং এক জীবনের শুরু। সব গল্প, ঘুমপাড়ানি গান, নতুন অনুভূতি। আর এক আশা। আমার গর্ভে সব স্বপ্নের জন্ম!’

default-image

২০১৪ সালে ব্যবসায়িক পার্টনার সাহিল সংঘকে বিয়ে করেন দিয়া মির্জা। পাঁচ বছরের মাথায় ২০১৯ সালের আগস্টে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন দিয়া ও সাহিল।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন