বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগামী বছর জানুয়ারিতে মুক্তি পাবে তার নতুন অ্যালবাম ‘কাল ছুট্টি হ্যায়’। ইতিমধ্যে এর টিজার মুক্তি পেয়েছে। নাতি রেগোর এই সাফল্যে একরাশ খুশি নিয়ে বাপ্পী লাহিড়ী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বাবা-মা দুজনেই গায়ক ছিলেন। তারপর আমি এসেছি। আমার মেয়ে রেমা ছোটবেলায় গান গাইত। ছেলে বাপ্পা সংগীত পরিচালক। আর নাতি এত কম বয়সে আসবে, এটা সত্যিই ওপরওয়ালার আশীর্বাদ ছাড়া আর কিছু নয়। সব বাঙালির আশীর্বাদ আছে।’

default-image

তিনি আরও বলেন, ‘আমার নাতি কতটা প্রতিভাবান তা শ্রোতারাই বলবেন। প্রথম গানেই ও দারুণ সাড়া ফেলেছে। ওর দ্বিতীয় গান যেন আরও সাড়া ফেলে। আমি চাই ওর হাত ধরে ‘লাহিড়ী’ লিগ্যাসি আরও অনেক এগিয়ে যাক। আমি চাই আমার নাতিকে সবাই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিক। আমি আমার নাতিকে নিয়ে গর্বিত।’ নাতিকে কীভাবে গাইড করছেন? এর জবাবে বাপ্পী লাহিড়ী বলেন, ‘আসলে ওর রক্তেই গান। একদম ছোট থেকেই ও গানের মধ্যে থাকত। আমার সঙ্গে বসে সা–রে–গা–মা–পা শিখেছে। আসলে ওর মধ্যে এক স্পার্ক আছে।’ বাংলাদেশের প্রসঙ্গ উঠতে বাপ্পী লাহিড়ী বলেন, ‘আমার বাবা পাবনা থেকে এসেছিলেন। তিন বছর আগে বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছিলাম।’

১২ বছরের কিশোর রেগো নানার সম্পর্কে বলে, ‘আমি নানার সঙ্গে অনেক শো করেছি। তাঁর সঙ্গে দারুণ সব স্মৃতি আছে। নানার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তবে একটা কথা নানা সবসময় আমায় বলেন—সাফল্যের শিখরে পৌঁছে গেলেও আমার পা যেন মাটিতে থাকে।’ ‘রেগো বি’ এই নামের পেছনে তার আসল একটি নাম লুকিয়ে আছে।

default-image

এ প্রসঙ্গে রেগো বলে, ‘আমার আসল নাম স্বস্তিক গোবিন্দ বানসাল। আসলে আমার মায়ের নাম রেমা, আর বাবার নাম গোবিন্দ। তাঁদের দুজনের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে আমার নাম রেগো রাখা হয়েছে। আর “বি”–এর পেছনে “বানসাল” আর “বাপি”ও আছে। আসলে আমার মামা বাপ্পা লাহিড়ী এই নতুন নামটি রেখেছিলেন। নানাভাই আমার নাম স্বস্তিক রেখেছিলেন। মামা বলেছিলেন, আমি রকস্টার হব, তাই আমার নাম তিনি “রেগো” রাখেন।’ কিশোর এই গায়ক জানায়, ‘এখনকার নায়কদের মধ্যে রণবীর সিং, আয়ুষ্মান খুরানা আর হৃতিক রোশন আমার প্রিয়। তবে রণবীর সিং আমার বেশি পছন্দের। তাঁর জন্য প্লেব্যাক করতে চাই। আর রণবীরও আমার গান খুব পছন্দ করেন।’

default-image

এ প্রজন্মের পছন্দের গায়ক কে? জবাবে বাপ্পী লাহিড়ী বলেন, ‘আমার সব সময়ের প্রিয় গায়ক কিশোর মামা। তিনি চলে যাওয়ার পর আমি গান ছেড়ে দিয়েছিলাম। তারপর নিজের গলায় “তাম্মা তাম্মা লোগে” গানটা গেয়েছিলাম, যা সুপারহিট হয়েছিল। কিশোর মামার পর কুমার শানু এলো। ও খুবই ভালো গায়ক। এরপর সোনুর গান ভালো লাগে। এখন অরিজিৎ সিং ভালো গাইছে।’ ৭০ বছর ছুঁই ছুঁই এই কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক এখনো সৃষ্টির নেশায় মেতে আছেন। বাপ্পী লাহিড়ী বলেন, ‘ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের একটা বাংলা ছবির জন্য কম্পোজ করছি। এছাড়া অমিতাভ বচ্চনের একটি সিনেমায় সংগীত পরিচালনা করছি।’

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন