বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মহামারির ভেতরে ভারতীয় চলচ্চিত্রের এই তারকার খুব করে মনে হলো, একটু নিজের প্রতি মনোযোগী হওয়া দরকার। এত বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করার পর মনে হয়েছে, এবার একটু নিজেকে ভালোবাসা দরকার। সেই থেকে নিজের প্রতি মনোযোগী হয়েছেন তিনি। শ্রুতি বলেন, ‘নিজের আসল “আমি”র সঙ্গে বোঝাপড়া শুরু করেছি। মজার ব্যাপার হচ্ছে তখন আমার শৈশবের কথা মনে পড়ে যায়। ছোটবেলায় আমরা সবাই কিন্তু নানা বিষয়ে ভিতু ছিলাম। অনেকের জড়তা থাকে, অনেকে খেলতে পারে না, কীভাবে কারও সঙ্গে কথা বলবে বুঝে উঠতে পারে না। এসব নিয়ে শিশুদের ব্যাগভর্তি দুশ্চিন্তা থাকে। কিন্তু আমরা কে, আর কী করতে ভালোবাসি, কী করি বা কী করব না—সেসব নিয়ে ছোটবেলায় শিশুদের একধরনের দ্বিধা থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে সেসব ঠিক হয়ে যায়।’

default-image

শ্রুতি মনে করেন, ‘অন্যরা শিশুদের ওপর নানা কিছু চাপিয়ে দেয়। এতে তাদের নিজের ইচ্ছা, পছন্দগুলো ম্লান হয়ে যায়। এ কারণে আমাদের কী প্রয়োজন এবং কী নয়, তা আমরা আলাদা করতে পারি না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকেই এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমি তাদের স্যালুট জানাই, যারা নিজের পছন্দের ব্যাপারে অটল ছিল। আমারও প্রায়ই মনে হতো, যা করছি, সেটা করতে আসলে আমি ভালোবাসি না।’

default-image

সম্প্রতি নিজেকে আবিষ্কারের চেষ্টা করছেন শ্রুতি। কীভাবে? তিনি বলেন, ‘একসময় আমার নিজের সঙ্গে কোনো কথা ছিল না। নিজেকে সময় দেওয়ার ব্যাপারগুলো আমি এড়িয়ে যেতাম। এখন আমি সেই পথে হাঁটছি। এ ক্ষেত্রে আমার জন্য বড় সহায়ক হয়েছে থেরাপি।’ এই যাত্রায় অনেক বাধা পেতে হয়েছে শ্রুতিকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেদের একটা চাপের মধ্যে ফেলি। যেমন “আমি নিজের সমস্যা ধরতে পেরেছি। এখন আমাকে অটল থাকতে হবে। আগামী ১৫ সেকেন্ড আমি চুপচাপ থাকব।” এ রকম চাপ কিন্তু কাজ করে না। আমাদের মনের জন্য চাই একটু যত্ন ও মমতা।’ শ্রুতি আরও বলেন, ‘এ জন্যই আমি নিজেকে ভালোবাসার কথা বলি। অন্যরা আপনাকে বুঝবে, আপনার প্রতি সদয় হবে, এই ভাবনা অবান্তর। আপনি নিজেই নিজের প্রতি সদয় হন। সত্যি বলতে, এখন আমি যে জীবনটাকে উপভোগ করছি, ঠিক এ কারণেই।’

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন