বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই অসম্ভব কাজকে কি করে সম্ভব করলেন, জবাবে ভাগ্যশ্রী বলেছেন, ‘এত দিন ধরে যে প্রাণশক্তি আমি সঞ্চয় করেছিলাম, তা এই ছবির জন্য খরচ করেছিলাম।

default-image

পারফরম্যান্সের জন্য যতটা জরুরি, আমি ততটাই ক্ল্যাসিক্যাল নাচ শিখেছিলাম। গুরু হরিকরণ জি আমার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছিলেন। পাঁচ দিন ধরে আমি সকাল থেকে রাত অবধি অনুশীলন করতাম। কিন্তু ওই পাঁচ দিন পর এক মাস পর্যন্ত আমি হাঁটতে পারিনি।’ ভাগ্রশ্রী আরও বলেন, ‘নাচ শেখার পেছনে অনেক পরিশ্রম থাকে। এখন আমি কাউকে ক্ল্যাসিক্যাল নাচ করতে দেখলে বুঝতে পারি যে এর পেছনে কতটা শ্রম লুকিয়ে আছে। আর এটা করা কতটা কঠিন। নাচের ছোট ছোট মুদ্রা, বিষয়ের দিকে নজর দিতে হয়। ক্ল্যাসিক্যাল নৃত্যশিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা আমার আরও বেড়ে গেছে। আমার নাচের সিকোয়েন্স জর্জিয়ার মাইনাস ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যে শুট করা হয়েছিল। অত্যন্ত বেশি ঠান্ডা ছিল। স্ক্রু সদস্যরা ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচার জন্য শীতের পোশাক পরেছিল। আর আমি নাচের কস্টিউম পরে খালি পায়ে নাচ করছিলাম।’

default-image

নতুন প্রজন্মের সঙ্গে কাজ করে দারুণ খুশি তিনি। এ প্রসঙ্গে ভাগ্যশ্রী বলেন, ‘সবাই প্রবীণদের থেকে শেখার কথা বলেন। কিন্তু আমার মতে, ছোটদের থেকে আরও বেশি শেখা যায়। আগামী দিনে আমাদের আরও বাঁচতে হলে ভবিষ্যৎকে দেখে শিখতে হবে। আমার দুটো সন্তান বড় হয়ে গেছে। ফিল্মের সঙ্গে যুক্ত ওরা। আমার ছেলে অভিমন্যুর ‘মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বর’ বেশ কিছু দিন আগে মুক্তি পেয়েছিল। ছেলের সঙ্গে কথা বলার পর আমার দৃষ্টিভঙ্গি আরও বদলে গেছে। এখন সিনেমাকে ভাষা দিয়ে বিভাজন করা যায় না। ভালো ছবি দেখার জন্য ভাষা কখনোই প্রতিবন্ধকতা হতে পারে না। আমাদের বাড়িতে তামিল, তেলেগু, মালায়লাম সব ভাষার ছবি দেখা হয়।’

default-image

রাধা কৃষ্ণা কুমার পরিচালিত ‘রাধে শ্যাম’ ছবিতে প্রভাস আর পূজা হেগড়ের রোমান্স দেখা যাবে। কিছুদিন আগে এই ছবির ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। আগামী বছর ১৪ জানুয়ারি এই প্যান ইন্ডিয়া ছবিটি মুক্তি পাবে।

default-image
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন