default-image

বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাওকে পরিচয় করিয়ে দিতে হলে একটা শব্দই যথেষ্ট—অভিনয়। বলিউডের গত কয়েক বছরে ভালো অভিনয়ের ছবির উদাহরণ টানলে রাজকুমার আসবেন অনায়াসে। সাম্প্রতিক আলোচিত ‘দ্য হোয়াইট টাইগার’ ছবিতেও আছেন তিনি। বলিউডের গ্ল্যামার আর নায়কোচিত উঁচুগ্রামের অভিনয়কে টেক্কা দিয়ে এখন বক্স অফিস মাত করছেন রাজকুমাররাই। ওটিটি এসে সে সুযোগের দ্বার খুলল অবারিতভাবে। তাই বলিউডে এখন নায়কোচিত নয়, অভিনয়জানা লোক দরকার। এক সাক্ষাৎকারে সেদিকেই ইঙ্গিত করলেন এই অভিনেতা।

বিজ্ঞাপন
default-image

২০১৮ সালের জনপ্রিয় ছবি ‘বাধাই হো’। এই ছবির রিমেক ‘বাধাই দো’ নিয়ে প্রস্তুত রাজকুমার রাও। ২০২০ সালের তেলেগু ছবি ‘হিট’–এরও হিন্দি ভার্সনে দেখা যাবে তাঁকে। দুই ছবিতেই তিনি পুলিশের চরিত্র করছেন। জানালেন, যোগ্যতা হিসেবে অভিনয় ছাড়া আর কিছুই নেই তাঁর ঝুলিতে। ‘আমি যখন ছোট, তখনই অভিনয়ের প্রেমে পড়ি। বিখ্যাত হওয়ার লোভ ও টাকা কামানোর লালসা কখনোই আমার ছিল না। আমি মঞ্চে অভিনয় করেছি। চলচ্চিত্র স্কুল থেকে পড়ে এসেছি, যাতে প্রস্তুতি নিয়েই অভিনয়ে নামতে পড়ি,’ বললেন রাজকুমার।

default-image

প্রযুক্তি বদলে যাচ্ছে দিনকে দিন। বদলে যাচ্ছে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিও। বলিউডও তার ব্যতিক্রম নয়। এই বদল ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। এখন বলিউডের নামকরা সব গ্ল্যামার তারকা যেন ম্লান। সেখানে জায়গা করে নিচ্ছেন মেধাবী অভিনেতারা; সৌন্দর্য্য যাঁদের প্রধান অস্ত্র নয়। আর ওটিটি এসে তাঁদের দিয়েছে অবারিত সুযোগ। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির নানা সিন্ডিকেটের চৌকাঠ পেরোতে হয় না এখন। মেধা দিয়েই নিজেকে চিনিয়ে দেওয়া যায়। মনোজ বাজপেয়ী, আয়ুষ্মান খুরানা, নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী, পঙ্কজ ত্রিপাঠিরা তাই ঘাড় উঁচু করে হেঁটে চলেন খান–কাপুরদের সঙ্গে। রাজকুমার রাওয়ের মতে, এমন মেধাবী অভিনেতাদের দরকার আরও। তিনি বলেন, ‘সিনেমাশিল্প পাল্টে যাচ্ছে দিন দিন। আমাদের এখন মেধাবী অভিনেতা দরকার। এখানে আসার আগে প্রশিক্ষণ দরকার, দরকার অভিজ্ঞতার। আমি এখানে এসেছি। প্ল্যান বি ছাড়াই আমি আমার স্বপ্নকে ছেড়ে দিতে রাজি নই।’
রাজকুমার রাওকে এ বছর দেখা গেছে ‘দ্য হোয়াইট টাইগার’ ছবিতে। তাঁকে ‘রুহি আফজা’, ‘হাম দো হামারে দো’, ‘বাধাই দো’ ছবিগুলোতে দেখা যাবে।

বিজ্ঞাপন
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন