বছরের প্রথমভাগে মুক্তি পাওয়া তাঁর দুই সিনেমা ভালো ব্যবসা করেনি। তবে রাকুল তা নিয়ে ততটা চিন্তিত নয়। জানেন ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবেন। রাকুল বলেন, ‘এই পেশায় ওাঠানামা থাকবেই। তা ছাড়া আমার দুই ছবি যখন মুক্তি পায়, তখন কোভিডের ধকল কাটিয়ে দর্শক পুরোপুরি প্রেক্ষাগৃহমুখী হয়নি,’ বলেন রাকুল।

default-image

বছরের শেষভাগে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা রাকুলের সিনেমাগুলো হলো ‘মিশন সিনডেরেলা’, ‘ডক্টর জি’, ‘থ্যাংক গড’, ‘আায়ালান’ ও ‘ছত্রিওয়ালি’। এই পাঁচ ছবিতে নানা ধরনের কিকিৎসক। কোন ছবিতে তিনি জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর পরীক্ষক, কোন ছবিতে গাইনোকলজিস্ট। রাকুল বলেন, ‘সিনেমাগুলোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। যতটা সম্ভব চরিত্রের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। অভিনেত্রী হিসেবে আমি খুব লোভি। সব সময় ভালো ভালো চরিত্রের খোঁজ করতে থাকি।’

এ বছরে নানা ধরনের বৈচিত্রময় সাত ছবি মুক্তি পেলেও ক্যারিয়ার নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন অভিনেত্রী, ‘আপনার ভেতরের যে আগুন, ক্ষুধা, এটা সব সময় থাকা উচিত। যেটুকু কাজের সুযোগ পেয়েছি, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তবে আরও ভালো কিছু করতে চাই।’

default-image

দিল্লির মেয়ে রাকুল ক্যারিয়ার শুরু করেন ২০০৯ সালে, কন্নড় ছবি ‘গিল্লি’ দিয়ে। এরপর তাঁকে দেখা যায় তেলেগু ছবি ‘কেরাতাম’-এ। পরে করেন কয়েকটি তামিল ছবিও। ২০১৪ সালে ‘ইয়ারিয়া’ দিয়ে হিন্দিতে অভিষেক। তবে নজড় কাড়েন অজয় দেবগন ও টাবুর সঙ্গে ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দে দে পেয়ার দে’ সিনেমা দিয়ে।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন