default-image
আজ এক দিনে দুটি উৎসব বাঙালির। বসন্ত ও ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা দিবসে ভালোবাসার গান শোনা হবে না, তা কি হয়? আর বলিউড হলে তো কথাই নেই। বলিউডের মেলোডি সুর আর ভালোবাসার কথামালায় গাঁথা গানগুলো আজও প্রেমিক–প্রেমিকার মনে দোল দিয়ে যায়। রাজ কাপুর আর নার্গিস অভিনীত ‘পেয়ার হুয়া ইকরার হুয়া’ কিংবা দিয়া মির্জা আর মাধবনের ‘জারা জারা’ এখনো সবুজ প্রেমের গান হিসেবে। ১৪ ফেব্রুয়ারির এই ভালোবাসায় আপনার প্লে লিস্টে থাকতে পারে যেসব বলিউড গান তার একটা তালিকা থাকল আজ।

তুজে দেখা তো (দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে)
বলিউডের সবচেয়ে বেশি দিন সিনেমা হলে প্রদর্শনী হওয়া চলচ্চিত্র হিসেবে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ এখনো শীর্ষে। বলিউডের প্রেমের এই ছবি যেমন জনপ্রিয় হয়, গানগুলোও ছিল জনপ্রিয়। গানগুলো ছিল ভক্তদের মুখে মুখে। কুমার শানু ও লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠে ‘তুজে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’ সাড়া ফেলেছিল। প্রেমের গান হিসেবে আজও তালিকায় থাকবে গানটি।

বিজ্ঞাপন

পেহেলা নেশা ( জো জিতা হো সিকান্দার)
‘জো জিতা হো সিকান্দার’ এই ছবি দেখেছেন, অথচ গুনগুনিয়ে এই গান গাননি এমন মানুষ পাওয়া ভার। ছবি ছাড়াও এই গান জনপ্রিয়তায় ছিল শীর্ষে। উদিত নারায়ণ ও সাধনা সারগামের গাওয়া গানটি ভালোবাসা দিবসের জন্য থাকুক প্লে লিস্টে। আমির খান ও আয়েশা ঝুলকা অভিনীত ছবির গানটি ১৯৯৩ সালে ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডসের জন্যও মনোনীত হয়েছিল।

default-image

জারা জারা (র‍্যাহনা হ্যায় তেরা দিল মে)
২০০১ সালে তামিল অভিনেতা আর মাধবনের বলিউড অভিষেক হয় এই ছবি দিয়ে। ‘র‍্যাহনা হ্যায় তেরা দিল মে’ ছবিতে মাধবনের নায়িকা ছিলেন দিয়া মির্জা, ছিলেন সাইফ আলী খানও। ছবিটি বক্স অফিসে খুব একটা সুবিধা করতে না পারলেও ‘কাল্ট ক্ল্যাসিক’ হিসেবে মর্যাদা পায়।

default-image

প্রেমের ছবি হিসেবে আজও ভক্তদের কাছে প্রথম দিকে আছে ছবিটি। ছবির একটি অন্যতম আকর্ষণ গানগুলো। বিশেষ করে বোম্বে জয়শ্রীর গাওয়া ‘জারা জারা’ গানটি এখনো স্মরণীয়।

বিজ্ঞাপন

পেয়ার হুয়া ইকরার হুয়া (শ্রী ৪২০)
রাজ কাপুর ও নার্গিস অভিনীত সাদাকালো যুগের ছবি ‘শ্রী ৪২০’। সাদাকালো যুগের হলে কী হবে! এই ছবির গান রঙিন সময়ের তরুণদের মনে আজও দাগ কাটে। প্রেমিক–প্রেমিকা যুগল গুনগুনিয়ে গান ‘পেয়ার হুয়া ইকরার হুয়া’ গানটি। মান্না দে ও লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া এই গান সে সময় ঝড় তুলেছিল।

default-image

তুম হি হো (আশিকি টু)
অনেকেই বলে থাকেন এই ছবির মূল আকর্ষণ গানগুলো। অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠে মিঠুনের সংগীত দর্শকের ভালোবাসা কেড়ে নেয়। বিশেষ করে ‘তুম হি হো’ গানটি তরুণদের প্রেমের আইকনিক গান হিসেবে পরিণত হয়। বলিউডের বেশ কয়েকটি পুরস্কার জিতে নিয়েছিল গানটি।

ধীরে ধীরে সে মেরি জিন্দেগি মে আনা (আশিকি)
আনকোড়া নায়ক ও নায়িকা নিয়ে মহেশ ভাট বাজি ধরেছিলেন ‘আশিকি’ ছবি দিয়ে। বাজিতে জিতে গিয়েছিলেন মহেশ। আর তার ট্রাম কার্ড ছিল ছবির গানগুলো।

default-image

মনে করা হয় এই ছবি বক্স অফিসে সফল করতে প্রধান ভূমিকা ছিল এই গানের। ‘আশিকি’ ছবির ‘ধীরে ধীরে সে মেরি জিন্দেগি মে আনা’ গানটিও রাখা যায় ভালোবাসা দিবসের প্লে লিস্টের তালিকায়।

default-image

পেহলা পেহলা পেয়ার হাই (হাম আপকে হ্যায় কৌন)
সালমান খান ও মাধুরী দীক্ষিত অভিনীত ছবি ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’ এখনো রোমান্টিক ছবি হিসেবে ভক্তদের পছন্দের শীর্ষের দিকে। মাধুরী থাকবেন আর সে ছবিতে ধুন্ধুমার গান আর নাচ থাকবে না—এ হয় না। এই ছবির গানও ভক্তরা পছন্দ করেছিল। বিশেষ করে ‘পেহলা পেহলা পেয়ার হাই’ গানটি এখনো জনপ্রিয় ভক্তদের কাছে।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন