বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কিন্তু ক্যাথিরেসন আর মীনাক্ষীর দাবি যে ধানুশের এই প্যাটারনিটিসহ অন্য সব প্রতিবেদন ভুয়া। ধানুশ নিজের প্রভাব খাটিয়ে ভুয়া মেডিকেল প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন বলে বৃদ্ধা দম্পতির অভিযোগ। ২০২০ সালে মেলুরের ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁদের অভিযোগ খারিজ করেছিলেন। আর তাই ধানুশ এই মামলা জিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আবার একই মামলায় জড়ালেন এই দক্ষিণী তারকা। মাদুরাইয়ের এই দম্পতি এবার মাদ্রাজ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

default-image

ক্যাথিরেসন আর মীনাক্ষীর দাবি, ধানুশ আসলে তাঁদেরই সন্তান। তাঁদের কথা অনুযায়ী, অভিনয় করবে বলে একাদশ শ্রেণিতে বাড়ি থেকে পালিয়ে চেন্নাইতে গিয়েছিলেন ধানুশ। ছোট থেকেই অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। আর তার পর থেকে ধানুশের সঙ্গে তাঁদের কোনো যোগাযোগ নেই বলে জানিয়েছিলেন মাদুরাই দম্পতি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁরা তাঁদের সন্তানকে খুঁজে পাননি।

default-image

অবশেষে রুপালি পর্দায় এই বৃদ্ধা দম্পতি তাঁদের হারানো সন্তান ধানুশকে খুঁজে পান। এরপর ধানুশের বাসায় গিয়ে তাঁরা তাঁদের হারানো সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ধানুষ এই বৃদ্ধ দম্পতির সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করেন। তাই শেষ পর্যন্ত আদালতের দরজায় কড়া নেড়েছেন ক্যাথিরেসন আর মীনাক্ষী। এই দম্পতি জানিয়েছেন, তাঁরা প্রবল আর্থিক কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাই ধানুশের থেকে ৬৫ হাজার রুপি দাবি করেছেন তাঁরা।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন