এখন পর্যন্ত ৫৭টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন আর মাধবন
এখন পর্যন্ত ৫৭টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন আর মাধবনছবি:ইনস্টাগ্রাম

ভারতীয় অভিনেতা আর মাধবনের বয়স ৫০ বছর। তাঁর ভক্তরা এ কথা মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, বয়স বাড়ে না প্রিয় তারকার। বয়সকে ‘টি–টোয়েন্টি’ ফরম্যাটে ক্রিকেট খেলার বল বানিয়ে দিব্যি ছক্কা হাঁকিয়ে চলেছেন তিনি।

টুইটারে এক ভক্ত রং দে বাসন্তি, থ্রি ইডিয়টস, তনু ওয়েডস মনুখ্যাত এই তারকার একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘বয়স সবাইকে জাপটে ধরতে ধরতে মাধবনের সামনে এসে থেমে গেছে।’ ব্রিদ সিরিজ দিয়ে হইচই ফেলে দেওয়া এই তারকা রিটুইট করে মজা করে লিখেছেন, ‘আরে ওসব কিচ্ছু না। এসব হলো চমৎকার রঙের কারসাজি।’ যেন রং মেখে বয়সের ছাপকে হাওয়া করে দিয়েছেন মাধবন।

default-image

ভক্তরাও কম সরস নন। একজন বুদ্ধি করে মাধবনের ওই পোস্টের নিচে বাতলে দিয়েছেন নতুন বুদ্ধি। তিনি বলেছেন, ‘এক কাজ করুন। আপনার বয়স ৫০ আর অনিল কাপুরের ৬৩। কিন্তু আপনারা দুজনেই আটকে আছেন ২৫–এ। দীর্ঘদিন ধরে যেহেতু আপনাদের বয়স বাড়ে না, আপনাদের উচিত “অ্যান্টি এজিং ক্রিমের” (যেসব ক্রিম মাখলে বয়সের বলিরেখা ধরা পড়ে না) বিজ্ঞাপন করা।’

বিজ্ঞাপন

আরেকজন লিখেছেন, ‘দুর্দান্ত স্যার। আপনি সব সময় পেশাদার, অবিশ্বাস্য রকমের পরিশ্রমী আর চমৎকার একজন মানুষ। রংকে আপনার নিজের কৃতিত্বে ভাগ বসাতে দেবেন না।’

default-image


আরেকজন লিখেছেন, ‘সত্যি করে বলেন তো স্যার, আপনি কী মাখেন? কী খান? কী করেন?’ ভক্তদের এই প্রশ্নের উত্তরে মাধবন লিখেছেন, ‘আমি কখনো অন্য কারও মতো হতে চাইনি। একটা স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করি। সময় নিয়ে খাই, পর্যাপ্ত ঘুমাই আর গলফ খেলি। এই তো।’

১৯৭০ সালে বিহারের জামশেদপুরের (বর্তমান ঝাড়খন্ড) এক তামিলভাষী পরিবারে বেড়ে ওঠেন তিনি। বাবা ছিলেন টাটা স্টিলের ব্যবস্থাপনা নির্বাহী আর মা ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপক। ২০০১ সালে মুক্তি পায় মাধবনের প্রথম হিন্দি ভাষার সিনেমা ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’।

মন্তব্য পড়ুন 0