default-image

রঙিন দুনিয়ে ফেলে মুখ গুঁজে সংসার করতে পারেননি ভাগ্যশ্রী। সেদিন চলচ্চিত্রে অভিনয় চালিয়ে গেলে আজ তিনি কোন অবস্থানে থাকতেন, সেটা অনেকেই অনুমান করতে পারেন। কিন্তু আজ ৫৩ বছর বয়সে তাঁকে টেলিভিশনে দেখা যাচ্ছে। একটা প্রজন্ম জানেও না তাঁর ‘ম্যানে পেয়ার কিয়া’, ‘পায়েল’, ‘জননী’র মতো সিনেমাগুলোর কথা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন ভাগ্যশ্রী। কেবল স্বামী হিমালয় নন, ক্যারিয়ার ধ্বংসের জন্য শ্বশুরবাড়ির মানুষদেরও দায়ী করেছেন তিনি।

default-image

অন্য অভিনেতাদের সঙ্গে ভাগ্যশ্রী রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করুন, এটা চাইতেন না তাঁর প্রযোজক স্বামী হিমালয়। একসময় বলেই বসলেন, তিনি ছাড়া আর কারও সঙ্গে সিনেমা করতে পারবেন না ভাগ্যশ্রী। করেছিলেনও তা-ই, আর সেই ছবিগুলো তেমন ব্যবসাসফল হয়নি। খ্যাতির চূড়ায় থাকা ক্যারিয়ার ধসে যায় তাঁর। এ জন্য কেন শ্বশুরবাড়ির মানুষদের দায়ী করলেন ভাগ্যশ্রী? ওই সাক্ষাৎকারে ভাগ্যশ্রী জানিয়েছেন, শ্বশুরবাড়ির কেউই তাঁর পেশাকে বুঝতে চাইতেন না। এই অভিনেত্রী বলেন, ‘বাড়ির বাইরে বলিউডে আমার যে একটা জীবন আছে, তা কেউই মানতে চাইতেন না। যে মুহূর্তে বাড়িতে পা রাখতাম, একজন গৃহিণীর সব দায়িত্ব পালন করতে হতো আমাকে। দুদিক সামাল দেওয়া ভীষণ কঠিন হয়ে পড়েছিল।’

default-image

বহু বছর পর আবার পর্দায় ফিরেছেন ভাগ্যশ্রী। এখন টেলিভিশনে তিনি পরিচিত মুখ। সিনেমাতেও টুকটাক কাজ করছেন। অথচ সেই শুরুর সময়টা যদি ধরে রাখতে পারতেন, আজ তিনি হতেন বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেত্রী। সেই আফসোস এখনো রয়েছে ভাগ্যশ্রীর। ২০২১ সালের ‘থালাইভি’ আর ২০২২ সালের ‘রাধে শ্যাম’ ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ভাগ্যশ্রীর ছেলে অভিমন্যু ও মেয়ে অবন্তিকাও অভিনয় শুরু করেছেন।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন