বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সুরেখা সিক্রি এই সময়ে বেশি পরিচিত হন ‘বাধাই হো’ ছবির দাদির চরিত্রে অভিনয় করে। আয়ুষ্মান খুরানা আর সানিয়া মালহোত্রাদের সঙ্গে সুরেখাও দর্শকের মনে জায়গা করে নেন।

১৯৭৮ সালে ‘কিসসা কুর্সি কা’ দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় এই অভিনেত্রীর। একাধিক ধারাবাহিক ও সিনেমায় তাঁকে দেখা গেছে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। সহ-অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন ‘তমস’ (১৯৮৮), ‘মাম্মো’ (১৯৯৫) ও ‘বাধাই হো’ (২০১৮) ছবিতে অভিনয়ের জন্য।

default-image

জোয়া আখতারের ‘ঘোস্ট স্টোরিজ’-এ শেষবার তাঁকে দেখা গেছে। ‘জুবায়েদা’, ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস আইয়ার’, ও ‘রেইনকোট’-এর মতো ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। টেলিভিশনে কাজ করেছেন ‘এক থা রাজা এক থি রানি’, ‘পরদেশ মে হ্যায় মেরা দিল’, ‘মা এক্সচেঞ্জ’, ‘সাত ফেরে’ এবং ‘বালিকা বধূ’ ধারাবাহিকে।

default-image

সুরেখার জন্ম দিল্লিতে হলেও তাঁর শৈশব কাটে আলমোরা ও নৈনিতালে। বাবা ছিলেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর একজন কর্মকর্তা। ১৯৬৮ সালে ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে নাট্যতত্ত্বে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন সুরেখা সিক্রি। মঞ্চেও ছিলেন সক্রিয়। মঞ্চে কাজ করার জন্য তিনি পেয়েছেন সংগীত নাটক একাডেমি অ্যাওয়ার্ড।

default-image
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন