default-image

বলিউড তারকা রাধিকা আপ্তেকে বলা হয় ‘কুইন অব ওটিটি’। তাঁর মা–বাবা দুজনই ডাক্তার। রাধিকা পড়াশোনা করেছেন গণিতে। তারপর হয়েছেন অভিনেত্রী। ২০১২ সালে যুক্তরাজ্যের ভায়োলা ও ভায়োলিনবাদক বেনেডিক্ট টেইলরকে বিয়ে করেন। কাজের বাইরে এখন তাই তাঁর বেশির ভাগ সময় কাটে লন্ডনে। সেখান থেকেই করোনাকাল আর কাজ নিয়ে তাঁর আলাপ হলো ভারতীয় একটি দৈনিকের সঙ্গে। সেখান থেকে খবর প্রকাশ করেছে বলিউড চলচ্চিত্র সাময়িকী ‘ফিল্মফেয়ার’।

default-image
বিজ্ঞাপন

এক জায়গায় নাকি ‘বলিউড বাদশাহ’ শাহরুখ খান আর রাধিকা আপ্তের খুবই মিল। তাঁদের দুজনের কারও হাতেই ওঠেনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ৩৫ বছর বয়সী রাধিকাকে নিয়ে ভারতের চলচ্চিত্র সমালোচকেরা এ আক্ষেপ প্রায়ই করেন। যদিও জাতীয় পুরস্কার নিয়ে বিশেষ ভাবনা নেই ‘মাঝি: দ্য মাউন্টেইন ম্যান’, ‘বদলাপুর’, ‘পার্চড’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’, ‘দ্য ওয়েডিং গেস্ট’, ‘রাত আকেলি হ্যায়’, ‘প্যাডম্যান’, ‘আন্ধাধুন’খ্যাত রাধিকার। এই করোনাকালে তিনি ১০ মাস ধরে আছেন লন্ডনেই।

default-image

সেখান থেকে মহামারিকালের বেঁচে থাকার অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেন, ‘হারিয়ে যাওয়ার ভয় আর অনিরাপত্তাবোধে আমরা অনেক কিছু করি। কিন্তু এই দুই আশঙ্কা থেকে শিল্প হয় না। নিজের অস্তিত্ব তৈরির জন্য জীবনের চলার পথে সামনে এসে দাঁড়ানো নানা কিছুকে “না” বলা জরুরি। অন্যরা করছে, তাই আমাকেও করতে হবে, এর কোনো মানে নেই। লকডাউনে আমি ভাবার সময় পেয়েছি। আমার মনে হয়েছে, শিল্পের জন্য মুক্তি দরকার। আর মুক্তির জন্য নিজের সব ভয় আর অনিরাপত্তাবোধকে বিদায় করা জরুরি।’
রাধিকার ব্যক্তিগত অভিধানে ‘অসম্ভব’ শব্দটি নেই। তাই যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে সদা প্রস্তুত তিনি। লকডাউনে বেশ কিছু চিত্রনাট্যও লিখেছেন রাধিকা। শিগগিরই সেই চিত্রনাট্যকে সিনেমায় রূপ দিতে হাতে তুলবেন ক্যামেরা, হবেন পরিচালক।

বিজ্ঞাপন
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন