default-image

এ মুহূর্তে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি রাজকুমার রাও। ৩৫ বছর বয়সী এই অভিনেতা জিতেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। গত ২৫ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ‘মেড ইন চায়না’; যদিও এক সপ্তাহে আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারেনি এই ছবি। চলছে ‘তুরান খান’ ও ‘রুহ আফজা’ ছবির কাজ। এই বছরেই মুক্তি পেয়েছে তাঁর আরও দুটি ছবি। ‘এক লাড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লাগা’ আর ‘জাজমেন্টাল হ্যায় কেয়া’। সব মিলিয়ে তিনি বলিউডের ব্যস্ততম অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

পড়াশোনা করেছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তারপর অভিনয় বিষয়ে স্নাতক করেছেন ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট, পুনে থেকে। জানিয়েছেন, তাঁর অনুপ্রেরণার নাম শাহরুখ খান। নিজেকে বলতেন, ‘শাহরুখ খান যদি বলিউডের বাইরে থেকে এসে বলিউডের বাদশাহ হতে পারেন, তাহলে আমিও পারব।’

default-image

কিন্তু আজকের এই দিনের পেছনে আছে অনেক দিনের সংগ্রাম। এই সফলতা সহজে ধরা দেয়নি। ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘দিল্লিতে এসে আমার মূল সংগ্রাম শুরু হলো। সাইকেল চালিয়ে গুরুগাঁও থেকে মান্দি হাউস আসতাম থিয়েটার করতে। তারপর মুম্বাই এলাম। ক্যারিয়ার গড়তে। শুরু হলো আরেক সংগ্রাম। প্রতিদিন কত মানুষের সঙ্গে দেখা হতো, অডিশন দিতাম। কতবার যে শুনতে হয়েছে, আমাকে দিয়ে হবে না! সেই সময় ভেঙে না পড়ে নতুন করে নিজেকে আশাবাদী করা, নতুন অডিশনের জন্য প্রস্তুত করা সত্যিই কঠিন ছিল।’

default-image

তারকাখ্যাতিকে কীভাবে দেখেন? উত্তরে রাজ বলেন, ‘তারকাখ্যাতিকে আমি বিশেষ পাত্তা দিই না। আমি যেখানেই যাই, মানুষ আমাকে ভালোবাসে। এটাই আমার পরম পাওয়া। একজন শিল্পীর জন্য এর চেয়ে বেশি চাওয়া আর কীই–বা হতে পারে! তা ছাড়া, বাড়িতে থাকলে কিছু মনে হয় না। আর আমি বেশির ভাগ সময়ই বাড়িতে বা সেটে থাকি। আমি মানুষ হিসেবে খুবই সাধারণ, গড়পড়তা, যে মন দিয়ে শুধু নিজের কাজটা করার চেষ্টা করছে।’

আরও জানিয়েছেন, তারকা হওয়ার পর মুখে ওপর ‘না’ বলা লোকেরাই নাকি এখন তাঁর দিকে অন্যভাবে তাকায়। জিকিউ বা ফিল্মফেয়ার পুরস্কার হাতে উঠলে দর্শকসারিতে বসে হাততালি দেয়। এই পরিবর্তন সম্ভব করতে পেরেছেন বলে তাঁর ভালোই লাগে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0