বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জয়েশভাই জোরদার ছবি মুক্তির জন্য প্রস্তুত। কিন্তু বাদ সেধেছে করোনা। এ কারণে ছবিটি কিছুতে মুক্তি পাচ্ছে না। তাই জন্মদিনে শালিনী শুধু একটা ইচ্ছাই পূরণ করতে চান।

default-image

নিজের এই ইচ্ছা নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি এক বছরের বেশি সময় জয়েশভাই জোরদার ছবিটি মুক্তির জন্য অধীর অপেক্ষায় আছি। দর্শক আমার অভিনীত এই ছবিটি কখন দেখবে, আমার আর তর সইছে না। আমি জানি এটা খুবই ভালো ও অত্যন্ত স্পেশাল একটি ছবি। এই ছবিকে আমরা অনেক ভালোবাসা আর একাগ্রতার সঙ্গে নির্মাণ করেছি। নিশ্চয়, সব ছবিই ভালোবাসা আর একাগ্রতার সঙ্গে বানানো হয়। আসলে এটা আমার প্রথম ছবি (বড় পর্দায় হিন্দি ছবি), তাই এই ছবির সঙ্গে আমার অনেক আবেগ জড়িয়ে আছে। আর ছবিটি আমার জন্য অত্যন্ত বিশেষ। আমার বিশ্বাস, দর্শক এই ছবি আর চরিত্রগুলোকে পছন্দ করবেন। তাই আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’

শালিনী আরও বলেছেন, ‘সিনেমা হল খোলার জন্যও আমি অধীর অপেক্ষায় আছি। আমি চাই দর্শক আবার হলে গিয়ে সিনেমা দেখুক। আমিও আবার সিনেমা হলে যেতে চাই। জয়েশভাই জোরদার ছবির নিজস্ব এক সফর আছে। আমি চাই যে দর্শক যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই ছবির মজা নিক। আমি যখনই এই ছবি মুক্তির কথা ভাবি, রোমাঞ্চিত হয়ে উঠি।’

default-image

জয়েশভাই জোরদার ছবির শুটিংয়ের সময় শালিনী তাঁর অভিনয়গুণে সবাইকে মুগ্ধ করেছেন বলে জানা গেছে। যশরাজ ফিল্মসের তিনটি ছবির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

default-image

তাই এই দক্ষিণী রূপসী বেজায় খুশি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ প্রসঙ্গে শালিনী বলেছেন, ‘ওয়াইআরএফের সঙ্গে তিনটি ছবিতে কাজ করা জন্য চুক্তিবদ্ধ হওয়া অনেক বড় ব্যাপার। এটা অনেক বড় এক মঞ্চ। অনেক বড় স্বপ্নপূরণের মতো ঘটনা এটা। যশরাজ ফিল্মসের ছবি দেখে আমার বড় হয়ে ওঠা। আর সব সময় ওয়াইআরএফের নায়িকা হতে চেয়েছি। মা–বাবা আমার এই সফরে অত্যন্ত খুশি। সত্যি বলতে, আমি কল্পনাও করিনি যে জয়েশভাই জোরদারের মতো ছবিতে কাজের সুযোগ পাব। আমার শুরু খুবই বিশেষ এক ছবির মধ্যে দিয়ে হলো।’

default-image
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন