বিজ্ঞাপন

করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মৃত্যুর আগে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। কিন্তু করোনা–পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রাত ১১টায় মারা গেলেন তিনি। অদিতি সিংয়ের বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।

default-image

হাসপাতালে অরিজিৎ সিংয়ের মা ছিলেন ভেন্টিলেশনে। চলছিল কিডনি ডায়ালাইসিসও। ধীরে ধীরে অক্সিজেন লেভেল কমতে থাকে। দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়। ‘মাল্টিপল অর্গান ডিসফাংশন’–এর কারণে মারা যান তিনি। আজ ভোর ৫টায় অদিতি সিংয়ের মরদেহ মুর্শিদাবাদে নেওয়া হয়।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর মাকে চিকিৎসার জন্য জিয়াগঞ্জ থেকে প্রথমে বহরমপুর মাতৃসদনে নিয়ে আসেন অরিজিৎ সিং। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী কোয়েলও। পরে কলকাতায় নিয়ে আসেন তিনি। ভেন্টিলেশনে থাকাকালীন তাঁর ব্রেন স্ট্রোক হয়। এরপরই শরীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। এ নেগেটিভ রক্ত প্রয়োজন ছিল। ব্লাড মেটস নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রক্ত জোগাড় করে দিয়েছিল। রক্ত পাওয়ার পর শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়। তখন কিছুদিনের জন্য শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীলও হয়। তবু বাঁচানো যায়নি অদিতি সিংকে। মাকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন অরিজিৎ সিং এবং তাঁর বোন অমৃতা সিং।

default-image
default-image

বলিউডে ‘চান্না মেরেয়া’, ‘তুম হি হো’, ‘ফির ভি তুমকো চাউঙ্গা’, ‘রাবতা’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘গেরুয়া’, ‘হামারি আধুরি কাহানি’, ‘জালিমা’, ‘লাল ইশক’, ‘মুসকুরানে’, ‘ফির কাভি’, ‘শায়াদ’সহ বহু জনপ্রিয় গান করেছেন অরিজিৎ সিং।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন