default-image

‘হিরোপান্তি’র সিকুয়েলের প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা। সাজিদের কার্যালয়ে তারার সঙ্গে জমে আড্ডা। শুরুতেই উঠে আসে ক্যারিয়ারের প্রথম নায়ক টাইগারের কথা। আবারও তাঁর সঙ্গে জুটি বাঁধতে কতটা স্বচ্ছন্দ ছিলেন তিনি। প্রথম আলোকে তারা সুতারিয়া বলেন, ‘প্রথম ছবিতে কাজ করেছিলাম বলে আমাদের বিশেষ বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। অনন্যাও ওই ছবিতে ছিল। আমরা তিনজনই ভালো বন্ধু হয়ে যাই। তাই টাইগারের সঙ্গে কাজ করা আরও সহজ হয়ে উঠেছিল। আমি সত্যিই লাকি যে টাইগারের মতো বন্ধু পেয়েছি। টাইগার আমার জন্য অত্যন্ত বিশেষ।’

default-image

‘হিরোপান্তি টু’র মূল চরিত্রে আছেন নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী। নওয়াজের মতো শক্তিশালী অভিনেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে দারুণ উৎফুল্ল তারা। তিনি বলেন, ‘অবশেষে নওয়াজ স্যারের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়েছি। এই ছবিতে তাঁর সঙ্গে আমার একটি বিশেষ ঘটনা আছে, যেটা ট্রেলারে দেখানো হয়নি। আসলে নওয়াজ স্যার সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল, তিনি গুরুগম্ভীর মানুষ। কিন্তু শুটিংয়ের সময় সেই ধারণা ভেঙেছিল। স্যার নিজের কাজ নিয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। তবে হাসিখুশি আর মিষ্টি স্বভাবের মানুষ। তাঁর ব্যবহারে মনেই হয়নি যে তিনি এত বড় অভিনেতা। সেটে কম কথা বলে সবাইকে পর্যবেক্ষণ করা আমি নওয়াজ স্যারের কাছ থেকেই শিখেছি। আর একজন অভিনেতার জন্য এটা জরুরি।’

default-image

‘হিরোপান্তি টু’ ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন এ আর রাহমান। তাঁর সঙ্গে কৈশোরের এক সুন্দর স্মৃতি আছে তারার। এই বলিউড অভিনেত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ মুম্বাইয়ের এনসিপিএতে একটা কনসার্ট করেছিলাম। তিনি ছিলেন ব্যাক স্টেজে। তখনই রাহমান স্যারের সঙ্গে আমার কথা হয়। তিনি আমার গান শুনেছিলেন। তাঁর গান আমি গেয়েছিলাম। ‘হিরোপান্তি টু’ ছবির সময় স্যারের সঙ্গে আবার দেখা হতেই আমি তাঁকে “হ্যালো” বলি। তখন রাহমান স্যার বলেন, “আমি তোমাকে আগে দেখেছি, তখন তোমার বয়স ১৩ হবে।” তাঁর কথা শুনে আমার দারুণ আনন্দ হয়েছিল। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি যে রাহমান স্যারের মতো ব্যক্তি আমাকে মনে রাখবেন।’

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৯ এপ্রিল মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘হিরোপান্তি টু’। ছবিটির পরিচালক আহমেদ খান। তারাকে শেষ পর্দায় দেখা গেছে ‘তড়প’ ছবিতে।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন