‘কেদারনাথ’ থেকে সুশান্তের মাদক গ্রহণ শুরু

সারাও কি সুশান্তের সঙ্গে গাঁজা খেতেন?

সারা ও সুশান্ত
সারা ও সুশান্তইনস্টাগ্রাম
বিজ্ঞাপন

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর সঙ্গে মাদকের গভীর যোগসাজশ আছে বলে সিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে। কেননা, যাঁর বাইপোলার ডিজঅর্ডার আছে, যিনি নিয়মিত ওষুধ খান, তিনি যদি মাদক নেন, সেটা তাঁর ভেতর আত্মহত্যার প্রবণতা সৃষ্টি করে। আর সে জন্য সুশান্তের প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তী, তাঁর ভাই শৌভিক চক্রবর্তী আর ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডাকে গ্রেপ্তার করেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। রিয়াকে এনসিবি দুবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এনসিবির জেরার মুখে এই বলিউড অভিনেত্রী বলেছেন যে কেদারনাথ ছবির সেট থেকে সুশান্ত মাদকের নেশায় আক্রান্ত হন।

default-image
তবে কি সারাও সুশান্তের মাদকের সঙ্গী ছিলেন? তারাও একসঙ্গে গাঁজা খেতেন? এমন প্রশ্ন তুলছে অনেকেই। অনেকেই বলছেন, সারা আলী খান সাইফ আলী খানের মেয়ে বলেই কি এই ঘটনায় তাকে নিয়ে কোন আলোচনা নেই? কেননা, ওই সময় সুশান্তের সঙ্গে প্রেম চলছিল সারার। আর এই ঘটনা সারার পরিবার জানত।

রিয়া চক্রবর্তী এনসিবিকে জানান যে ২০১৬ সালে সুশান্ত অভিষেক কাপুরের কেদারনাথ ছবির সেট থেকে মাদক নিতে শুরু করেন। ছবিটিতে সুশান্তের সঙ্গী ছিলেন সারা আলী খান। এই ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল সারার। রিয়া জানিয়েছেন, এই ছবির অনেক সহ–অভিনেতা শুটিংয়ের সময় মাদক নিতেন।

তবে কি সারাও সুশান্তের মাদকের সঙ্গী ছিলেন? তারাও একসঙ্গে গাঁজা খেতেন? এমন প্রশ্ন তুলছে অনেকেই। অনেকেই বলছেন, সারা আলী খান সাইফ আলী খানের মেয়ে বলেই কি এই ঘটনায় তাকে নিয়ে কোন আলোচনা নেই? কেননা, ওই সময় সুশান্তের সঙ্গে প্রেম চলছিল সারার। আর এই ঘটনা সারার পরিবার জানত। কারিনা কাপুর তো প্রকাশ্যেই সতর্ক করেছিলেন সারাকে। শুটিংয়ের দিনগুলোতে তাঁরা এক হোটেলে পাশাপাশি ঘরে থাকতেন। সারার মাদক নেওয়ার বিষয়ে কিছুই বলেননি রিয়া। এমনকি সুশান্তের সঙ্গে ব্যাংককে যাবার বিষয়েও না।

default-image
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে এ ব্যাপারে এখনো কিছু জানা যায়নি। রিয়া আরও বলেছেন, সুশান্তই তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ টাইপ করে মাদক আনতে বলতেন। আর সুশান্ত চাইতেন যে তাঁর কর্মচারীরা তাঁকে মাদক সরবরাহ করুক। রিয়ার দাবি, কেউ জানতেন না যে সুশান্ত মাদক কিনতেন। তবে রিয়ার ওপর মাদক কেনা ও সেবনের অভিযোগ আছে। মাদক সেবন এবং মাদক র‍্যাকেটের সঙ্গে সংযোগের অভিযোগে এনসিবি শৌভিক ও স্যামুয়েল মিরান্ডাকে গ্রেপ্তার করেছে।

রিয়ার বেশ কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এনসিবির তদন্তে উঠে এসেছে। সেসব চ্যাটে রিয়া তাঁর ভাই শৌভিকের কাছে মাদক চেয়ে পাঠিয়েছেন। এনসিবির জেরার মুখে শৌভিক স্বীকার করেছেন যে রিয়া তাঁকে দিয়ে মাদক আনাতেন। আর তা সুশান্তের অনুরোধেই। একটি চ্যাটে শৌভিক লিখেছেন “‘ড্যাড’-এর ‘জিনিস’ ফুরিয়ে গেছে”। তবে তদন্তে এখনো জানা যায়নি যে শৌভিক তাঁর বাবাকে উদ্দেশ করে মেসেজটি লিখেছিলেন কি না। এখানে কোনো কোড ওয়ার্ড লেখা হয়েছিল কি না, তা–ও তদন্ত করছে এনসিবি।

default-image
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন