সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে ঘিরে হাজার একটা প্রশ্ন জট পাকিয়েছিল।
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে ঘিরে হাজার একটা প্রশ্ন জট পাকিয়েছিল।কোলাজ

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে ঘিরে হাজার একটা প্রশ্ন জট পাকিয়েছিল। সুশান্তর পরিবার রিয়া চক্রবর্তী আর তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছিল। এই বলিউড নায়কের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি রুপি আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিল সুশান্তর পরিবার। এবার ইডির তদন্তে উঠে এল সুশান্তর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট–সংক্রান্ত সব তথ্য।

ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সুশান্তকে হত্যা করা হয়নি। এই বলিউড নায়ক আত্মহত্যা করেছিলেন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। এই রিপোর্টের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছে সিবিআই। এবার এদিকে সুশান্তর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট–সংক্রান্ত সব তথ্য খোলাসা করেছে ইডি। তদন্তে কোনো রকম আর্থিক লেনদেন ধরা পড়েনি। ইডির পক্ষ থেকে জানা গেছে, সুশান্তর পরিবার ভুলবশত এই ধরনের অভিযোগ করেছে।

default-image
বিজ্ঞাপন

এদিকে ভারতের একটি জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিককে ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সুশান্তর পরিবার তাঁর আর্থিক বিষয় সম্পর্কে কিছুই জানত না। সুশান্তর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে, ছবিপ্রতি সুশান্ত কেমন পারিশ্রমিক পাতেন—এসব নিয়ে সুশান্তর পরিবারের কোনো ধারণা ছিল না। সুশান্তর পরিবার কখনো তাঁর আর্থিক বিষয়ে নাকগলাত না। ইডি এখন পর্যন্ত সুশান্তর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাৎ বা সন্দেহজনক কোনো আর্থিক লেনদেন পায়নি।
তদন্ত চলছে। সুশান্তর পরিবার অভিযোগ করেছিল যে রিয়া সুশান্তর ১৫ কোটি রুপি আত্মসাৎ করেছেন।

তবে ইডির তদন্তে এখনো সুশান্তর অ্যাকাউন্ট থেকে রিয়ার অ্যাকাউন্টে বড়সড় কোনো লেনদেন ধরা পড়েনি। দুজনের মধ্যে ছোটখাটো লেনদেন হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ইউরোপ ট্যুরেই সুশান্ত রিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেছেন। ইডির বক্তব্য, সুশান্তর পরিবার তাঁর আর্থিক দিক সম্পর্কে বিন্দুবিসর্গ জানত না। রিয়া, তাঁর ভাই শৌভিক, বাবা ইন্দ্রজিৎ, সুশান্তর ব্যবস্থাপক শ্রুতি মোদি, হাউস ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডার বিরুদ্ধে সুশান্তর বাবা কে কে সিং টাকা আত্মসাতের কেস দায়ের করেছিলেন।

default-image
এখনো সুশান্তর অ্যাকাউন্ট থেকে রিয়ার অ্যাকাউন্টে বড়সড় কোনো লেনদেন ধরা পড়েনি। দুজনের মধ্যে ছোটখাটো লেনদেন হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ইউরোপ ট্যুরেই সুশান্ত রিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেছেন। ইডির বক্তব্য, সুশান্তর পরিবার তাঁর আর্থিক দিক সম্পর্কে বিন্দুবিসর্গ জানত না। রিয়া, তাঁর ভাই শৌভিক, বাবা ইন্দ্রজিৎ, সুশান্তর ব্যবস্থাপক শ্রুতি মোদি, হাউস ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডার বিরুদ্ধে সুশান্তর বাবা কে কে সিং টাকা আত্মসাতের কেস দায়ের করেছিলেন।

রিয়ার উকিল সতীশ মনসিন্দে এই সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছিলেন। সতীশের দাবি, রিয়া এবং তাঁর পরিবারের অ্যাকাউন্টে সুশান্তর অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো আর্থিক লেনদেন হয়নি। সুশান্তর সঙ্গে রিয়া কোনো ব্যবসায়িক কাজে শামিল ছিলেন না।

default-image

তবে সুশান্ত আর রিয়ার একটা সিনেমায় অভিনয়ের কথা ছিল। সেই ছবির জন্য প্রযোজক সুশান্তকে ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক দিতে চেয়েছিলেন। সুশান্ত এই ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে খুবই খুশি ছিলেন। সম্ভবত সুশান্ত এ কথা তাঁর পরিবারকে জানিয়েছিলেন। সেখান থেকেই ১৫ কোটি রুপির আভাস পায় সুশান্তর পরিবার, এমনটাই দাবি রিয়ার।
১৪ জুন মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় বলিউডের এই তরুণ নায়কের লাশ। যদিও প্রাথমিক ও চূড়ান্ত তদন্ত শেষ মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছিল, সুশান্তর অপমৃত্যু আত্মহত্যাই। কিন্তু সুশান্তর পরিবারসহ ভক্তরা এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা মানতে নারাজ। সেই তালিকায় রয়েছেন বলিউডের অসংখ্য তারকা থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও।

default-image
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0