বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বাবা মারা যাওয়ার ৭ দিন পর মারাঠি সিনেমায় গান এবং অভিনয় করে চল্লিশের দশকে শুরু হয় তাঁর কর্মজীবন। প্রথম গান করেন মারাঠি ছবি ‘কিটি হাসাল’-এ (১৯৪২)। কিন্তু দুঃখের বিষয়, পরে সিনেমা থেকে তাঁর গানটি বাদ যায়।

default-image

স্কুলে ভর্তি হওয়ার প্রথম দিনই মজার ঘটনার জন্ম দেন এই গায়িকা। শিশু হয়েও অন্য শিশুদের রীতিমতো মিউজিক শেখানো শুরু করেন। তাঁকে গান শেখানো বন্ধ করতে বলেন শিক্ষক। তখন মন খারাপ করে লতা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, আর কোনো দিন স্কুলেই যাবেন না।

default-image

১৯৪৫ সালে মুম্বাইতে পা রাখেন লতা মঙ্গেশকর। দীর্ঘ ৪ বছর কঠোর পরিশ্রম করার পর ১৯৪৯ সালে ‘মহাল’ সিনেমায় গাওয়া ‘আয়েগা আনেওয়ালা’ তাঁকে শ্রোতার মনে জায়গা করে দেয়। আর তাঁকে পেছনে তাকাতে হয়নি।

default-image

লতা মঙ্গেশকরের প্রথম উপার্জন ছিল ২৫ টাকা। মঞ্চে গেয়ে এই অর্থ পারিশ্রমিক হিসেবে পেয়েছিলেন তিনি। ভারতের একটি পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, এই গায়িকা এখন ১৫ মিলিয়ন ডলারের মালিক। মাসে তাঁর আয় ৪০ লাখ টাকার বেশি।

default-image

১৯৬২ সালের শুরুর দিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন লতা মঙ্গেশকর। মেডিকেল তদন্তে জানা যায়, তাঁকে স্লো পয়জন দেওয়া হয়েছে। তিন দিন ধরে যমে-মানুষে টানাটানি চলে। এ ঘটনা তাঁকে শারীরিকভাবে ভীষণ দুর্বল করে ফেলেছিল। প্রায় তিন মাস তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। এ ঘটনার পর তাঁদের বাড়ির রান্নার লোক ভয়ে বেতন না নিয়েই পালিয়ে যান।

default-image

লতা মঙ্গেশকরকে নিজের ছোট বোনের মতো দেখতেন অভিনেতা দিলীপ কুমার। লতাও তাঁকে খুব কাছের মানুষ মনে করতেন। ১৯৭৪ সালে লতা প্রথম ভারতীয় হিসেবে লন্ডনের রয়্যাল আলবার্ট হলে পারফর্ম করেছিলেন। এই অনুষ্ঠানে দিলীপ কুমারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন লতা। অনুষ্ঠানের আগে লতা তাঁকে জানান, ‘পাকিজা’ ছবির ‘ইনহি লগনে লে লি দুপাট্টা মেরা’ গানটি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করবেন। দিলীপ প্রথম গান হিসেবে এটা পছন্দ করেননি। লতাকে গানটি করতে নিষেধ করেন দিলীপ। লতা যুক্তি দেখিয়ে গানটি করতে চান। এই নিয়ে একসময় ভীষণ রেগে গিয়েছিলেন দিলীপ।

default-image

ভারত-চীন যুদ্ধে নিহত ভারতীয় সৈনিকদের স্মরণে ১৯৬৩ সালে একটি কনসার্টে ‘এ মেরে ওয়াতান কে লোগো’ গেয়েছিলেন লতা। গানটি শুনে সেদিন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর চোখ অশ্রুসিক্ত হয়েছিল।

default-image

সেই সময় গায়কদের এককালীন পারিশ্রমিক দেওয়ার রীতি ছিল। কিন্তু লতা মঙ্গেশকর সংগীত সংস্থাগুলোর কাছে দাবি জানান, রয়্যালটি দিতে হবে। এ নিয়ে রাজ কাপুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়, যা প্রায় এক দশক স্থায়ী হয়েছিল।

default-image

লতাকে নিয়ে লেখা যতীন মিশ্রর বই ‘লতা সুর গাথা’তে এই গায়িকা বলেছেন, ‘প্রায়ই রেকর্ডিং করতে করতে ভীষণ ক্লান্ত হয়ে পড়তাম আমি আর ভীষণ খিদে পেত। মনে আছে, অনেক দিন এক কাপ চা আর দু-চারটা বিস্কুট খেয়েই কাটিয়ে দিয়েছি। এমনও দিন গেছে, শুধু জল খেয়ে সারা দিন রেকর্ডিং করছি। পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কাজের ফাঁকে ক্যানটিনে আসার কথাই মনে থাকত না।’

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন