default-image

করোনায় আক্রান্ত বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াৎকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্চা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে গতকাল বুধবার তাঁকে কেবিনে নেওয়া হয়। প্রথম আলোকে খবরটি জানিয়েছেন কাজী হায়াতের ছেলে চিত্রনায়ক কাজী মারুফ।

কাজী মারুফ বলেন, ‘আব্বা এখন আগের চাইতে সুস্থ আছেন। ডাক্তারের পরামর্শে দুই দিন আগে আইসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে।’ তবে এখনো মাঝেমধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেনের সাহায্য নিতে হচ্ছে। মারুফ বলেন, ‘আইসিইউতে থাকা অবস্থায় প্রথমে আব্বার ২০ লিটার অক্সিজেন লাগত। কয়েক দিনের মাথায় অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ৬ থেকে ৮ লিটার লাগত। এখন মাত্র ৪ লিটার লাগছে।’

বিজ্ঞাপন
default-image

কাজী হায়াৎ ও তাঁর স্ত্রী দুজনই করোনায় আক্রান্ত হলেও এরই মধ্যে করোনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ হওয়াতে স্ত্রী বাসায় ফিরেছেন। কাজী হায়াৎ কবে ফিরতে পারবেন বাসায়, এমন প্রশ্নে মারুফ বলেন, ‘আব্বার এখনো কোভিড-১৯–এর দ্বিতীয় পরীক্ষা করানো হয়নি। তা ছাড়া ডাক্তাররাও তাঁকে এখনই ছাড়তে চাইছেন না। সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। আবার পরীক্ষার পর কোভিড–১৯ নেগেটিভ হলেই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাবে।’

এদিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নির্বাচন আগামী ২ এপ্রিল। এই নির্বাচনে সভাপতি পদে কাজী হায়াৎ ও মহাসচিব পদে এস এ হক অলীক একই প্যানেল থেকে নির্বাচন করছেন। এস এ হক অলীক নিয়মিতই কাজী হায়াতের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখছেন। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, ‘এর আগে হাসপাতালে গিয়েছি। ভোটের কারণে কয়েক দিন যাওয়া হয়নি। তবে মারুফের সঙ্গে নিয়মিত যোগযোগ হচ্ছে। এখন ভালো খবর পাচ্ছি।’

default-image

ভোটের দিন তো আর বেশি নেই। অসুস্থতার কারণে কাজী হায়াৎ ভোটের প্রচারণায় অংশ নিতে পারছেন না। আপনাদের প্যানেলে কীভাবে প্রচার চালাচ্ছে, এ ব্যাপারে অলীক বলেন, ‘আমরা প্যানেল থেকে কাজী হায়াতের জন্য ভোট চাইছি।’

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে কাজী হায়াৎ ও তাঁর স্ত্রী রোমিসা হায়াৎকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরুতে কেবিনে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলেও কয়েক দিনের মাথায় কাজী হায়াতের অবস্থার অবনতি হয়। এরপর তাঁকে আইসিইউতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

default-image
বিজ্ঞাপন
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন