মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশা
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশাফেসবুক

প্রযোজক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশার প্রথম ইংরেজি চলচ্চিত্র নো ল্যান্ডস ম্যান-এর সম্পাদনার কাজ চলছে। মুক্তির দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি, এরই মধ্যে ঘোষিত হয়েছে তাঁদের আরেকটি ইংরেজি ছবির নাম। আজ সোমবার এশিয়ান প্রজেক্ট মার্কেট ২২টি ছবির নাম ঘোষণা করেছে। সেখানে এশিয়ার অন্য দেশের ছবির সঙ্গে আছে ফারুকী ও তিশা প্রযোজিত আ বার্নিং কোশ্চেন নামের ছবিটি। প্রযোজনার পাশাপাশি ছবিটি পরিচালনা করবেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।


‘আ বার্নিং কোশ্চেন’ নামের এই ছবিতে তিশা ও ফারুকীর সঙ্গে সহপ্রযোজক হিসেবে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রীহরি সাঠে, তিনি নো ল্যান্ডস ম্যান ছবিরও অন্যতম প্রযোজক।

default-image
বিজ্ঞাপন
’আমি ফিল্ম মেকার। যেকোনো ভাষাতেই ছবি করতে পারি, যদি সেই ছবির বিষয়টা বা চরিত্রগুলো আমাকে যথেষ্ট পরিমাণ নাড়া দেয়। এই ছবির গল্পটা আরেকটু বেশি আমেরিকান মেইন স্ট্রিম বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া করবে। ফলে আরেকটু অন্য রকম চরিত্র, লোকেশন নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি, সে জন্য আমি আনন্দিত।’
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নির্মাতা

পরপর দুটি ইংরেজি ছবি বানাচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশের পরিচালক আপনি, বাংলা ভাষার ছবি নিয়ে কিছু ভাবছেন না?

ফারুকী বলেন,‘আমি ফিল্ম মেকার। যেকোনো ভাষাতেই ছবি করতে পারি, যদি সেই ছবির বিষয়টা বা চরিত্রগুলো আমাকে যথেষ্ট পরিমাণ নাড়া দেয়। এই ছবির গল্পটা আরেকটু বেশি আমেরিকান মেইন স্ট্রিম বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া করবে। ফলে আরেকটু অন্য রকম চরিত্র, লোকেশন নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি, সে জন্য আমি আনন্দিত।

আরও আনন্দিত আমার নো ল্যান্ডস ম্যান ছবির আমেরিকান প্রযোজক শ্রীহরি সাঠে এই ছবিতেও আমার সঙ্গে থাকছে বলে। বাংলা ভাষায় সিনেমা করা বিষয়ে আমি আসলে জানি না কী বলব বা কী বলা ঠিক হবে। শুধু এটুকু বলতে পারি, একজন ফিল্মমেকারের জীবন খুব লম্বা কিছু না। কয়েক দশকমাত্র। সেখানে পরপর দুটি ছবি বানিয়ে যদি তিন বছর সেন্সর বোর্ডের দরজায় পড়ে থাকতে হয়—এর চেয়ে বেদনার, অপচয়ের কিছু নাই। হয়তো আবারও বাংলা ভাষায় সিনেমা বানাব, যখন ঠিক সময় আসবে।’

default-image

স্যাটারডে আফটার নুন বা শনিবার বিকেল ছবিটি এখনো মুক্তির কোনো খবর নেই। অন্যদিকে নো ল্যান্ডস ম্যান সম্পাদনা চলছে। এর মধ্যে আরেকটা ছবির চিন্তা কেন? ‘আশা করছি নো ল্যান্ডস ম্যান সিনেমাটা আগামী বছর দর্শকের কাছে পৌঁছাবে! তারপর কী নিয়ে কাজ করব, সেটা জানা থাকাটা আমার জন্য দরকার! আর আমি সব সময়ই একটা কাজ করতে করতেই পরের কাজটা নিয়ে ভাবি! আমার ধারণা, বেশির ভাগ ফিল্মমেকারই তাই করে!’ বললেন ফারুকী।

default-image

ফারুকী বরাবরই তাঁর সিনেমায় কাস্টিংয়ে একটা বড় চমক রাখার চেষ্টা করেন। তাঁর ছবিতে দেশের সেরা তারকাদের যেমন দেখা গেছে, তেমনি দেশের বাইরেরও সেরা অভিনয় ও সংগীতের মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ফারুকীর ছবিতে দেখা গেছে ইরফান খান, নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী, শিনা চৌহান, মিশেল মেগানসহ অনেকে। নো ল্যান্ডস ম্যান ছবির আবহ সংগীতের কাজ করছেন ভারতীয় সংগীত পরিচালক এ আর রাহমান, তিনি এই ছবির অন্যতম প্রযোজকও।

আ বার্নিং কোশ্চেন ছবির কাস্টিং নিয়ে কিছু ভেবেছেন কি? জবাবে ফারুকী বলেন, ‘এখনো তেমন কিছু ভাবিনি। তবে বাংলাদেশ থেকে একজন থাকবেন। বাকিরা দেশের বাইরের, এখন পর্যন্ত এভাবে মনস্থির করেছি।’

বিজ্ঞাপন
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন