বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সিনেমাটির নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল বলেন, ‘করোনার মধ্যে দুই থেকে তিন মাসের মতো সিনেমা হলে চালাতে পেরেছি। পরে করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকে। বাধ্য হয়েই সিনেমাটা নামিয়ে ফেলতে হয়। আমরা মনে করছি, এবার সব শ্রেণির দর্শক সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাবেন।’

default-image

‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ সিনেমাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রধান টার্গেট করেই নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই সময় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই গ্রামে বা ঢাকার বাইরে ছিলেন। মাসুদ হাসান বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। এখন সব ক্যাম্পাস খুলে দেবে। ইচ্ছা আছে নিয়ম মেনে প্রতিটি ক্যাম্পাসে সিনেমাটির বিকল্প প্রদর্শনী করার। এর বাইরে হলে চাইলে আবার হলে চালানো হবে।’ নির্মাতা আরও জানান, শিগগির সিনেমাটা নর্থ আমেরিকায় বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি পাবে।

default-image

অভিনেতা ইমতিয়াজ বর্ষণ বলেন, ‘সিনেমাটা এখনো দর্শক দেখতে চান এটা আমাদের বেশ অনুপ্রাণিত করেছে। কারণ সিনেমাটি দেখতে বিভিন্ন অনেক জেলা থেকে আমাদের টিমকে দর্শক ফোনও করেছেন। কিন্তু কিছু শহর ছাড়া সিনেমাটা করোনার মধ্যে আমরা চালাতে পারিনি। এখনো সিনেমাটির চাহিদা আছে এটা বুঝতে পারছি। নতুন করে সিনেমাটি হলে চলবে, আশা করছি দর্শক ভালো ভাবে নেবেন।’

‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ ছবিতে ইমতিয়াজ বর্ষণের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন শার্লিন ফারজানা।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন