default-image

আলোচিত হিরো আলমের সঙ্গে ঢালিউড হিরো জায়েদ খানের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়েছেন আরেক হিরো অনন্ত জলিল। বিজ্ঞাপনচিত্রে ‘অসম্ভবকে সম্ভব করাই অনন্তর কাজ’ বাক্যটিকে যেন বাস্তবে সত্য প্রমাণ করলেন তিনি।

এফডিসিতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের দপ্তরে হিরো আলম ও জায়েদকে একসঙ্গে দেখা গেছে। অনন্ত জলিল তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জায়েদ খান ও হিরো আলমের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘নাথিং ইজ ইম্পসিবল’। ছবিতে আরও আছেন পোশাক ব্যবসায়ী ও অভিনেতা অনন্ত জলিলের স্ত্রী নায়িকা বর্ষা।

বগুড়ার ‘ডিশ’ ব্যবসায়ী আশরাফুল আলম গানের ভিডিও ও নিজের প্রযোজিত নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি পান। সেই পরিচিতি কাজে লাগিয়ে তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। ‘সাহসী হিরো আলম’ নামে একটি ছবিও প্রযোজনা করেছেন তিনি। সেই ছবিতে তিনিই নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

জায়েদ খানের সঙ্গে হিরো আলমের দ্বন্দ্বের সূত্রপাত একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তাঁকে নিয়ে করা মন্তব্যকে ঘিরে। শাহরিয়ার নাজিম জয়ের সেই অনুষ্ঠানে মিশা সওদাগরকে জিজ্ঞাসা করা হয়, হিরো আলম কি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য? উত্তরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, তিনি তো আমাদের আজীবন সদস্য।’ তাৎক্ষণিকভাবে জায়েদ খান বলেন, ‘না না, আমার প্রেসিডেন্ট বুঝতে পারেননি। একজন আছে যে মিউজিক ভিডিও করে, তাঁর কথা বলছেন।’ তিনি জয়ের প্রশ্নের উত্তর হিসেবে বলতে শুরু করেন, ‘হিরো আলম নামে আমরা কাউকে চিনি না। আমরা হিরো বলতে চিনি নায়করাজ রাজ্জাক, হিরো বলতে চিনি আলমগীর সাহেবকে... হিরো আলম নামে কাউকে চিনি না।’

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের এমন মন্তব্যে ভীষণ চটেছিলেন আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। এফডিসিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতিতে সশরীর হাজির হয়ে অভিযোগও করেছিলেন তিনি। যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে মানহানি মামলাও করবেন বলে জানিয়েছেন হিরো আলম। মামলার কোনো খবর পাওয়া না গেলেও অনন্ত জলিল তাঁদের দুজনকে এক ফ্রেমে দাঁড় করিয়ে ভুল–বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়েছেন।

জায়েদ খান ও হিরো আলমের বিরোধ নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি আর হতে দেননি অনন্ত জলিল। স্ত্রী বর্ষাকে নিয়ে তাঁদের ভুল–বোঝাবুঝির অবসান করেন জলিল। তাঁদের হাত ধরেই অবশেষে মিটল মিশা-জায়েদ বনাম হিরো আলমের দ্বন্দ্ব।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0