আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব ইচ্ছে দিবস। ২০১০ সাল থেকে অন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়ে আসছে দিনটি। এই দিবস উপলক্ষ্যে দেশের গুণী নির্মাতা নূরুল আলম আতিককে ফোন করলাম তাঁর ইচ্ছার কথা শুনতে।
default-image

‘কথা কম কাজ বেশি’ বলে একটা প্রবাদ আছে। কিন্তু নূরুল আলম আতিকের কথাও নেই, কাজও দেখা যাচ্ছে না। তবে দীর্ঘদিন ধরে শোনা যাচ্ছে কাজের কথা। এই নির্মাতাকে ‘ইচ্ছাপূরণ দিবসে’র কথা জানাতেই দমকা হাসির শব্দ এল ফোনের ওপাশ থেকে। হাসি থামিয়ে বললেন, ‘আমার তেমন কোনো ইচ্ছাটিচ্ছা নেই। ছোটখাটো যেসব ইচ্ছা হয়, সেগুলো আমি নিজেই আস্তেধীরে পূরণ করে ফেলি। তেমন বলার মতো কিছু নয়।’ বললাম, মানুষের তো ইচ্ছা হয়। নির্মাতা হিসেবে কি কিম কি দুক বা রবার্ট ডি নিরোর সঙ্গে একবার আড্ডা দিতে ইচ্ছা করে না? অল্প কথায় কেবল বললেন, ‘না, সেরকম কিছু তো ইচ্ছা করে না।’ আলাদিনের জাদুর প্রদীপ হাতে পেলে দৈত্যকে তিনটা ইচ্ছার কথা কী বলবেন? বললেন, ‘ও রকম আবার হয় নাকি! একটাই ইচ্ছের কথা বলব। মহামারিকালকে তার সঙ্গে নিয়ে চলে যেতে বলব। আর কী বলব! এই মুহূর্তে আর কিছু বলার নেই।’

default-image
বিজ্ঞাপন

নূরুল আলম আতিক পরিচালিত প্রথম ছবি ‘ডুবসাঁতার’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১০ সালে। এক দশক পেরিয়ে একাদশে পা দিল, দ্বিতীয় ছবি নেই এই নির্মাতার। এই আক্ষেপ যতটা না দর্শকের, তার চেয়ে ঢের বেশি এই নির্মাতার। বড় পর্দায় মুক্তির জন্য পাইপলাইনে রয়েছে এই নির্মাতার তিন ছবি—‘লাল মোরগের ঝুঁটি’, ‘পেয়ারার সুবাস’ ও ‘মানুষের বাগান’। তাই এই মুহূর্তে আপাতত তাঁর একটাই চাওয়া, এই তিনটি ছবির মুক্তি। এখনো বেঁচে আছেন, এটাই বড় কথা জনিয়ে বললেন, ‘সময়ের মজুতদার নই আমি। অপ্রকাশের ভারে আমি ন্যুব্জ। ছবিগুলো একা আমার নয়। সময়ের সহমানুষদের। এদের (এই তিন সিনেমার) মুক্তিতেই আমার মুক্তি মিলবে।’

default-image

‘চতুর্থমাত্রা’খ্যাত এই নির্মাতা আরও জানান, তাঁর ছবির দর্শক মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাই ছবি মুক্তি দেওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা জরুরি। সব ছবির কাজ প্রায় শেষ। আপাতত বাড়িতে বই পড়ে সময় কাটাচ্ছেন। বললেন, ‘বই পড়ার অভ্যাসটা প্রায় নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। মহামারিকালের এই লকডাউনে আবার সেটা শুরু করেছি। বই পড়ছি। আর হাতের কাছে যা পাই তা–ই খুলে একটু দেখি, ফেসবুক, ইউটিউব...’

default-image
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন