বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে এবারই শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিল খান। তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। জানালেন, ইলিয়াস কাঞ্চনকে সমর্থন দিতেই প্রার্থী হয়েছেন তিনি। শাকিল খান বলেন, ‘সবাই ধরলেন নির্বাচন করার জন্য। তা ছাড়া দেখলাম, ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন। তাঁকে সমর্থনও দেওয়া দরকার। কারণ, তাঁর মতো ভালো মানুষ এই জায়গায় এলে চলচ্চিত্রের দুরবস্থা কিছুটা হলেও কাটবে।’ নির্বাচনে তাঁকে জিতিয়ে দেওয়ার ভার তিনি শিল্পীদের ওপর ছেড়ে দিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময়ই ভালোর পক্ষে থাকতে চেয়েছি, চাই। ভালো কাজের সুযোগ সৃষ্টির জন্য শিল্পী ভাইবোনেরা আমাকে ভোট দেন, তাহলে অবশ্যই জিতব।’

default-image

প্রথমবার নির্বাচনেই গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচন করছেন নিপুণ। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন তিনি। একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলে আছেন দুবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। প্রথম প্রার্থী হলেও গত দুই বছর ভেতরে-ভেতরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছেন নিপুণ। নিপুণ বলেন, ‘দুই বছর আগে থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি আমি। আমার মনে হয়েছে, চলচ্চিত্রের মন্দাকালে শিল্পীদের জন্য আমার কিছু একটা করা দরকার।’

প্রথমবার এ রকম একটি পদের চাপ কি নিপুণ নিতে পারবেন? এই অভিনেত্রী বলেন, ‘অনেকেই কথাটা ভাবছেন। কিন্তু আমি একে চাপ মনে করি না। কারণ, সকাল সাড়ে ছয়টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠে দিনভর কাজ করার অভ্যাস আমার অনেক দিনের। পরিশ্রম আমার কাছে কঠিন মনে হয় না। সুতরাং এই নির্বাচন এবং এই পদ আমার কাছে কোনো চাপই মনে হচ্ছে না। আমি দুই বছর ধরেই মাঠে আছি।’
কেন নির্বাচন করতে হচ্ছে? জানতে চাইলে এই অভিনেত্রী বলেন, চলচ্চিত্রের অবস্থা বেশ আগে থেকেই খারাপ। আমার ইচ্ছা, সমিতির দায়িত্ব নিয়ে চলচ্চিত্রের দিন ফেরানো। সংগঠনে থাকলে কাজটি করা সহজ হবে। সরাসরি সরকারপ্রধানের হস্তক্ষেপ ছাড়া সিনেমার পক্ষে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো সম্ভব নয়।’

কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন করছেন কেয়া। শখে নয়, প্রয়োজনেই নির্বাচনের মাঠে নেমেছেন তিনি । কেয়া বলেন, ‘আমার ইচ্ছা থাকলেও আগে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো সাহস ছিল না। আমি যে প্যানেল থেকে নির্বাচন করছি, সেই প্যানেলের নীতিনির্ধারকেরা আমাকে এখানে আসতে উৎসাহিত করেছেন। আমাকে ভালোবেসে, সম্মান করে নির্বাচনে এনেছেন।’ প্যানেলের সবার সঙ্গে প্রচারে নেমেছেন কেয়া। ব্যাপারটি বেশ উপভোগ করছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন করতে এসে সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। ভালো লাগছে। আমার মনে হয়, জয়–পরাজয় বড় কথা নয়, এখানে শিল্পীর প্রতি শিল্পীর ভালোবাসাটাই বড় কথা। দিন শেষে আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য।’

কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন পরীমনি। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রের কিছু গুণী মানুষ আমাকে নির্বাচনের পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের প্রতি সম্মান রেখেই প্রার্থী হয়েছি।’ বেশ আগে থেকেই শিল্পীদের পাশেই দাঁড়াতে দেখা যায় পরীমনিকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি শিল্পীদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করে। আমি সব সময় সাধারণ শিল্পীদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। এমনকি বছরের দুই ঈদে অর্থকষ্টে থাকা শিল্পীদের নিয়ে একসঙ্গে উৎসব উদ্‌যাপনের চেষ্টা করি। সমিতিতে থাকতে পারলে কাজটি করা আমার জন্য আরও সহজ হয়ে যাবে।’

default-image

অন্য প্রার্থীদের মাঠে দেখা গেলেও পরীমনি এখানো নির্বাচনের মাঠে প্রকাশ্যে আসেননি। জানালেন, তাঁর প্যানেলের সহযোদ্ধারাই তাঁর হয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাবেন। তিনি বলেন, ‘শিল্পীরা যদি মনে করেন যে বিগত দিনে আমি তাঁদের জন্য কিছু একটা করেছি, জিতে আসতে পারলে আরও কিছু করতে পারব, তাহলে তাঁরা আমাকে ভোট দেবেন।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন