বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

রুবেল বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র অভিনয়শিল্পীদের মতো আমি সব চরিত্রে অভিনয় করতে চাই না। তাঁদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, শত শত সিনেমার নায়ক হয়ে অনেক সিনিয়র পরে বাবা, চাচা, মামা, খালুর চরিত্রে অভিনয় করছেন। তাঁরা হয়তো বিভিন্ন কারণে অভিনয় করেছেন। সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাঁদের নিয়ে কথা বলার দুঃসাহস আমার নেই। কিন্তু আমি সিনিয়রদের সেই পথে হাঁটতে চাই না। প্রধান চরিত্র ছাড়া আমি কাজই করতে চাই না। অনেক ভালো ভালো সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। শেষ সময় এসে বদনাম হোক, চাই না। ফিল্মের এই একটি জায়গায় আমি সুচিত্রা সেনকে ফলো করি। এখনো তাঁর নায়িকারূপই আমাদের সামনে ভেসে ওঠে। তিনি কিন্তু অন্য কোনো চরিত্রে অভিনয় করেননি। রজনীকান্তের কথাও বলা যায়। তিনি এখনো নায়ক। এ জন্য আমিও অন্য কোনো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই না।’

default-image

মাসের বেশির ভাগ দিনই একসময় শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকতেন রুবেল। বছর ১০ আগে থেকে তাঁর সিনেমার সংখ্যা কমতে থাকে। এই প্রসঙ্গে রুবেল বলেন, ‘ইচ্ছা করেই অভিনয় কমিয়ে দিয়েছি। এখনো আমার কাছে সিনেমার প্রস্তাব আসে। গল্প এমনভাবে লেখা থাকে, যেখানে আমার কোনো গুরুত্বই থাকে না। সিদ্ধান্ত নিয়েছি, প্রধান চরিত্র ছাড়া ক্যারিয়ারে কখনোই অভিনয় করব না। সেই সিদ্ধান্তে অটুট থাকতে চাই। এতে যদি আমার কাজ না থাকে, আফসোস নেই। কাজ করব না। কিন্তু বাবা, চাচা, মামা, ভাই—এসব মুখদেখানো চরিত্র আমি করতে চাই না। প্রস্তাব পেলেই না করে দিই। তাঁদের বলি, প্রধান চরিত্র হলে আসবেন। আমি নিয়মিত অভিনয় করব।’

default-image

রুবেলের আজ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘৭১–এর একখণ্ড ইতিহাস’ সিনেমার শুটিং হওয়ার কথা ছিল। গাজীপুরের একটি সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে সিনেমাটির গল্প। শুটিং ইউনিটের সিদ্ধান্তে শুটিং বাতিল করতে হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামীকাল থেকে শুটিং শুরু হতে পারে। সিনেমার একটি গানের দৃশ্যের শুটিং শেষ হলেই কাজ শেষ। এ ছাড়া ‘ইনসান’সহ আরও দুটি সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন তিনি।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন