এখনো জ্বর, শ্বাসকষ্টে ভুগছেন তমা মির্জা

বিজ্ঞাপন
default-image

গোটা পরিবার নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন চিত্রনায়িকা তমা মির্জা। গত মাসের শুরুর দিকে তমার পরিবারে করোনা হানা দেয়। প্রথমে তাঁর বাবা ও ড্রাইভারের নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে। বাবার সেবাযত্ন করতে গিয়ে আক্রান্ত হন তমা। ১১ জুলাই তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। করোনার উপসর্গ দেখা যায় তাঁর মা ও ছোট ভাইয়ের শরীরেও। কিন্তু তখন তাঁদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়ার পর তিন সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গেছে। সোমবার প্রথম আলোকে তমা মির্জা জানান, এখনো অসুস্থ তিনি। তাঁর বাবার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে সপ্তাহখানেক আগে। তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। করোনামুক্ত হয়েছেন তাঁর ড্রাইভারও। তবে এর মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর মা। তাঁর ছোট ভাই সুস্থ আছেন বলে কোনো রকম পরীক্ষা করা হয়নি।

default-image

তমা মির্জা বলেন, ‘আমার এখনো জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও কাশি রয়েছে। আমি পুরোপুরি সুস্থ বোধ করছি না। তবে আগের চেয়ে কিছুটা ভালো আছি।’ তিনি জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার পুনরায় তাঁর নমুনা পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে তাঁর মায়েরও নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘সাত-আট দিন আগে আব্বুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আমার তখনো উপসর্গ ছিল। এ জন্য ডাক্তার আমার নমুনাটা কিছুদিন পর পরীক্ষা করাতে বলেছিলেন। কাল নমুনা নিলে পরশু দিন রিপোর্ট পেয়ে যাব আশা করছি।’

default-image

তমা মির্জা আরও জানান, আক্রান্ত অবস্থায় তাঁর পরিবার বাড়িতেই চিকিৎসা নিয়েছে। শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকায় ঘরে অক্সিজেন সিলিন্ডার আনিয়ে নিয়েছেন। পারিবারিক চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সব সময় ছিলেন তাঁরা। তাঁর ও পরিবারের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তমা মির্জা।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ‘বলো না তুমি আমার’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে সিনেমায় আত্মপ্রকাশ ঘটে তমা মির্জার। ‘মনে প্রাণে আছ তুমি’, ‘পালাবার পথ নেই’, ‘মানিক রতন দুই ভাই’, ‘ছোট্ট সংসার’ প্রভৃতি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘নদীজন’ ছবিতে অভিনয় করে পেয়েছেন পার্শ্ব-অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। গত বছর তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। তাঁর স্বামী হিশাম চিশতী কানাডাপ্রবাসী।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন