বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে উৎসব চলবে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। ৭০টি দেশের ২২৫টি সিনেমা দেখানো হবে। এর মধ্যে এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশনে ২১টি, রেট্রোস্পেকটিভে ৫টি, ট্রিবিউটে ২টি, বাংলাদেশ প্যানোরমাতে ৯টি, ওয়াইড অ্যাঙ্গেলে ৬টি, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ডে ৪৭টি, উইমেন ফিল্মমেকারস সেকশনে ২৭টি, স্পিরিচুয়াল সেকশনে ২৯টি, চিলড্রেন ফিল্ম সেশনে ১৮টি, শর্ট অ্যান্ড ইনডিপেনডেন্ট ফিল্ম সেকশনে ৬১টি সিনেমা দেখানো হবে। সিনেমা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সৃজনশীল নির্মাতাদের ছবিকে প্রাধান্য দিয়েছে উৎসব কর্তৃপক্ষ। উৎসব পরিচালক বলেন, ‘আমরা ইনডিপেনডেন্ট ও আর্টিস্টিক ফিল্মমেকারদের ছবিগুলো বাছাই করার চেষ্টা করেছি। তবে সব ছবি যে একই মানের হবে এমনটি নয়। তবে আমরা বিশেষভাবে ইনডিপেনডেন্ট ও আর্টিস্টিক ছবিকেই গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

default-image

উৎসবে উদ্বোধনী ছবি হিসেবে প্রদর্শিত হবে মারি ইভানোভার প্রথম ছবি ‘দ্য অ্যাঙ্গার’। এ বছর বিভিন্ন উৎসবে প্রদর্শিত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত সিনেমা আছে। এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশনে দেখানো হবে ভারতের তামিল ভাষার ছবি পি এস বিনোথরাজের ‘পেবলস’। ছবিটি রটারডম চলচ্চিত্র উৎসবে টাইগার অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। প্রযোজনায় তামিল তারকা নয়নতারা ও ভিগনেশ শিব। আছে ইরানের মোহাম্মদ হোসেইন মাহদাভিয়ানের ‘ওয়ালনাট ট্রি’। ছবির পরিচালক ইরানের ফজর চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা পরিচালকের পুরস্কার পায়। তরিনো চলচ্চিত্র উৎসবের সেরা ছবি কাভেহ মাজাহেরির ‘বোটক্স’ দেখা যাবে এই উৎসবে। এই বিভাগে ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীর ‘মায়ার জঞ্জাল’ও দেখানো হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন শাখায় এমন কিছু ছবি আছে, যা বুসান, সিঙ্গাপুর, সাংহাই, কারলোভি ভ্যারিসহ বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে।

default-image

বাংলাদেশ প্যানোরমা শাখায় দেখা যাবে বাংলাদেশের বেশ কিছু আলোচিত ও নতুন ছবি। আছে নূরুল আলম আতিকের ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’, প্রসূন রহমানের ‘ঢাকা ড্রিম’, সাইদুল আনাম টুটুলের ‘কালবেলা’, এন রাশেদ চৌধুরীর ‘চন্দ্রাবতী কথা’, শবনম ফেরদৌসীর ‘আজব কারখানা’ ইত্যাদি।
এ বছর নতুন একটি শাখা খোলা হয়েছে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল নামে। মূলত মেধাবী নির্মাতাদের ছবি দেখাতে করা হয়েছে এই বিভাগ। এই শাখায় দেখানো হবে জার্মানিপ্রবাসী বাংলাদেশি চলচ্চিত্রকার শাহীন দিল-রিয়াজের ছয়টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। এ প্রসঙ্গে উৎসব পরিচালক বলেন, ‘অনেক মেধাবী ও যোগ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা রয়েছেন, যাঁরা পাদপ্রদীপের আলোয় আসতে পারেননি বা হয়ে ওঠেনি, তাঁদের ওপর আলোকপাত করাই এই বিভাগের উদ্দেশ্য।’ এই নির্মাতার সব কটি ছবি দেখা যাবে বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে।

এবারেও থাকছে ‘চলচ্চিত্রে নারীর ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার। দুই দিনব্যাপী এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা ক্লাবের স্যামসন লাউঞ্জে। দ্বিতীয় দিনে আলোচনা হবে ‘রেহানা মরিয়ম নূর: আ ফেমিনিস্ট স্টোরি অ্যাজ টোল্ড বাই মেন উইথ ভিশন’ বিষয়ে। উৎসবটি শুধু ছবি প্রদর্শনীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উদীয়মান চলচ্চিত্রকারদের সহযোগিতা করতে তৈরি করা হয়েছে ওয়েস্ট মিটস ইস্ট স্ক্রিনপ্লে ল্যাব। এবার ১১টি প্রকল্প স্থান পেয়েছে। সেখান থেকে তিনটি প্রকল্পকে পুরস্কার দেওয়া হবে। আর ১১ জনকে নিয়ে হবে চার দিনের কর্মশালা।
এবারও জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তন, কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নন্দন মঞ্চ, জাতীয় চিত্রশালা ও জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তন, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে ছবি দেখা যাবে। শুধু জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তন ও শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে ছবি দেখতে ৫০ টাকার টিকিট কাটতে হবে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র দেখিয়ে বিনা মূল্যে ছবি দেখতে পারবেন।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন