বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘লায়ন সিনেমাস’–এর চেয়ারম্যান এবং প্রযোজক মির্জা আবদুল খালেক বলেন, ‘১৯২৮ সালে আমার বাবা মরহুম মির্জা আবদুল কাদের সরদার এ উপমহাদেশের সর্বপ্রথম বাঙালি মুসলমান চলচ্চিত্র প্রদর্শক। বাবার প্রতিষ্ঠা করা লায়ন সিনেমা হলটি চালু থাকলে বর্তমানে বয়স হতো ৯৩ বছর। ২০০৫ সালে লায়ন সিনেমা হল বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেদিন এটা বন্ধ করে দিয়েছি, সেদিন থেকেই ভেবেছি, একটা সিনেমা হল আমাকে নির্মাণ করতে হবে। এটা আমার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন পূরণে আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অত্যাধুনিক মাল্টিমিডিয়া সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করেছি। সিনেপ্লেক্সটি পরিচালনার জন্য জয় নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

আবদুল খালেক আরও বলেন, ‘আমি প্রথম শাবানা ও রাজ্জাক অভিনীত “ঘরনী” ছবির মাধ্যমে প্রযোজনা শুরু করি। আমার প্রযোজিত ১৭টি সিনেমাই দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আজকের দিনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র অনিশ্চয়তার মধ্যে চলছে। আমাদের মতো দেশে সিনেমা ছাড়া একটা দেশ থাকবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না। আমার ধারণা চার/পাঁচ বছর পর চলচ্চিত্রে সুদিন ফিরে আসবে। ব্যবসা কি হবে, না হবে সেটা নিয়ে আমি ভাবি না। সিনেমা হল ছাড়া আমি ও আমার পরিবার ভাবতে পারি না। আমাদের পরিবারের সিনেমা হল থাকবে না, এটা হতে পারে না। প্রায় তিন বছর আগে এই চারটি নবনির্মিত সিনেস্ক্রিনে অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ, প্রজেক্টর ও মাল্টি সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। গত দুই বছর করোনার কারণে এটা চালু করা হয়নি। এবার ঈদে “গলুই” ও “শান” ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হবে। আমি মনে করি, কেরানীগঞ্জবাসীর বাড়তি বিনোদনের জন্যে এর চেয়ে বেশি আর কিছু হতে পারে না।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন