বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রায় আড়াই বছর ধরে ছবির দৃশ্যধারণ হয়েছে। এত সময় কেন লাগল? ‘হাওর ও বিল অঞ্চলে একেক মৌসুমে একেক রূপ থাকে। মানুষের জীবনযাত্রাও বদলে যায়। সেসব ধরতে চেয়েছি, ধরেছি। যে কারণে নানা মৌসুমে কাজ করেছি। সংগত কারণেই তাই এতটা সময় লেগে গেল,’ বলেন নির্মাতা মুহাম্মদ কাইয়ুম।

default-image

ছবিটির সংগীত পরিচালনা করছেন কলকাতার সাত্যকি ব্যানার্জি, চিত্রগ্রহণ মাজাহারুল রাজু। এতে অভিনয় করেছেন জয়িতা মহলানবিশ, উজ্জ্বল কবির, সুমি ইসলাম, সামিয়া আকতার, বাদল শহীদ, মাহমুদ আলম ও আবুল কালাম আজাদ। শিল্পীর তালিকা বলছে, বড় পর্দার নায়ক-নায়িকা বা তারকা শিল্পী নেননি। কারণ কী? পরিচালক বলেন, ‘প্রথমত হাওর অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষের যে দেহগঠন, তার উপযোগী নন আমাদের বেশির ভাগ তারকা। তা ছাড়া আমার ছবির জন্য সময়টাও বেশি লেগেছে। এতটা সময় তারকা শিল্পীরা দেবেন না, দিলেও যে পারিশ্রমিক চাইবেন, তা আমি মেটাতে পারব না।’

default-image

সুলতান চরিত্রে রূপ দেওয়া উজ্জ্বল কবির বলেন, ‘আড়াই বছরে ৬০ দিনের বেশি শুটিং করেছি আমরা। সেখানকার জীবনযাত্রা খুব কষ্টের, বছরের ৮ মাসই পানিতে থইথই। আমার চরিত্রটি হয়ে ওঠার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। আনন্দ নিয়েই কাজটা করেছি। এমন একটি পাণ্ডুলিপি পাওয়া আমার অভিনয়জীবনের স্মরণীয় ঘটনা।’
জয়িতা মহলানবিশ বলেন, ‘এ ধরনের কাজে অনেক বাজেট দরকার। বাজেট সীমাবদ্ধতার ভেতর আমাদের পরিচালক কাজটা করেছেন। এটি একেবারেই বাংলাদেশের ছবি। শুধুই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের ছবি।’
পরিচালক মুহাম্মদ কাইয়ুম জানান, ছবিটির সম্পাদনা, ডাবিংসহ ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এখন কালার কারেকশন চলছে। তাঁর ইচ্ছা, আগামী বছরের শুরুতেই ছবিটি মুক্তি দেওয়ার।

default-image
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন