নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে স্বাক্ষর করার পর প্রার্থিতা বাতিলের আপিল করেন। ৭ দিন পর আপিল বোর্ড অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি এনে প্রার্থিতা বাতিল করে। তিনি আরও বলেন, আপিল বোর্ডের মুহাম্মদ হোসেন ও সোহানুর রহমান সোহানের কারণে কোর্ট, মামলা, হামলা এত ভোগান্তি, তবে দ্রুত আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

default-image

গত ২৮ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন প্রাথমিক ফলাফলে জায়েদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের কাছে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন নিপুণ।
আপিল বোর্ড সমাজসেবা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবা অধিদপ্তর এক চিঠিতে জানায়, আপিল বোর্ড এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ড জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে।

default-image

এ অবস্থায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও আপিল বোর্ডের ৫ ফেব্রুয়ারির সিদ্ধান্ত নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন জায়েদ খান। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। রুলে ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। এই রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।

সর্বশেষ চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নিপুণ আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করে আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। সাধারণ সম্পাদক পদ ফিরে পেতে জায়েদের করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসতে জায়েদ খানের আর কোনো বাধা রইল না এ রায়ের ফলে। আর সে লক্ষ্যে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ নেন জায়েদ খান ও তাঁর প্যানেলের অন্যরা।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন