বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এদিকে পয়লা বৈশাখে সেন্সরের সুসংবাদটি পান মিতু। তিনি বলেন, ‘২০১৯ সালে সিনেমায় কাজ শুরু করেছি। এখনো ছবি মুক্তি পায়নি। নানা কারণে কয়েকটি ছবির শুটিং আটকে আছে। কয়েকটি ছবির শুটিং শেষও হয়েছে। প্রথম আমার একটি ছবি সেন্সর ছাড়পত্র পেল। নিজেকে প্রেক্ষাগৃহের পর্দায় দেখার পথ তৈরি হয়েছে। খুশি আমি।’ প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে ‘কুস্তিগির’ সেন্সরে পাস হওয়ার খবরটি মিতু শোনেন ছবির পরিচালক শাহীন সুমনের কাছ থেকে। এরপর সেন্সর বোর্ডের সদস্যদের কেউ কেউ ফোনে খবরটি দিয়েছেন। মিতু বলেন, ‘সেন্সর বোর্ডের সদস্য অঞ্জনা আপা, অরুণা বিশ্বাস আপা ফোনে খবরটি দিয়ে আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতো গুণী অভিনেত্রীর মুখে অভিনয়ের প্রশংসা শুনে আমার তো মুখ থেকে কথাই বের হচ্ছিল না। আমার জন্য বড় পাওয়া এটি। জীবনে আর কী চাই।’

default-image

প্রায় তিন বছর ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করছেন জাহারা মিতু। ছবি মুক্তি না পেলেও নিজের কিছু দর্শক তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। মিতুর কথা, হতে পারে অনেক দর্শকের প্রিয় নায়কদের বিপরীতে কাজ করার সুবাদে দর্শকের কাছে নিজের একটা পরিচয় তৈরি হয়েছে তাঁর। এই অভিনেত্রী বলেন, ‘এ কারণে এসব দর্শক আমার কাজ দেখতে চান। আমার কাজের প্রতি তাঁদের একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তাঁরা আমার কাজ দেখে বিচার–বিশ্লেষণ করতে চান। ছবিটি সেন্সর হওয়ার মধ্য দিয়ে দর্শকের কাছে যাওয়ার সুযোগ হলো।’

দীর্ঘদিন চলচ্চিত্রে কাজ করছেন। এত দিনেও দর্শকের সামনে না আসতে পারায় কোনো দুঃখবোধ নেই মিতুর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এটা তো আর আমার হাতে নেই। এটা নিয়তির ব্যাপার। তা ছাড়া আমি তো নায়িকা হতেই চাইনি। ভাগ্য আমাকে নায়িকা বানিয়েছে। আমি হতে চেয়েছি ক্রীড়া উপস্থাপক। সুতরাং এসবে কোনোভাবেই খারাপ লাগেনি।’
‘কুস্তিগির’ ছবিতে মিতুর নায়ক বাপ্পী চৌধুরী। বর্তমানে একই জুটির ‘শত্রু’ নামে আরেকটি ছবির শুটিং চলছে।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন