বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সেন্সর বোর্ডের সচিব মো. মমিনুল হক স্বাক্ষরিত ২ নভেম্বরের চিঠিতে বলা হয়, ‘‘প্রেম কাহন’ নামক পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ডিজিটাল চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড কর্তৃক ২৭. ১০. ২০২১ তারিখে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষান্তে সম্মানিত সদস্যগণ সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত দেন ১. চলচ্চিত্রটির কাহিনি অসংলগ্ন ও অশ্লীল, ২. সিনেমাটিতে যুব–কিশোরদের অনৈতিক কাজে উদ্বুদ্ধ করা এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও সংলাপ রয়েছে, ৩. মানুষের যৌনজীবনকে বিকৃতভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে, ৪. সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং ৫. চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হলে সামাজিক শৃঙ্খলা, মূল্যবোধের অবক্ষয় ও সংহতি বিনষ্ট হওয়াসহ জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে। এ পরিপ্রেক্ষিতে চলচ্চিত্রটি জনসাধারণের মধ্যে প্রদর্শন উপযোগী নয় মর্মে সম্মানিত সদস্যগণ সর্বসম্মত মতামত দেন।’

default-image

গত ৩ নভেম্বর চলচ্চিত্রটির নির্মাতা আনুশ রুবেল বলেন, ‘আমার গল্পটা একজন টিনএজ ছেলের। ১৮ বছর বয়সী একটি ছেলের জীবনের নানা গল্প ছিল। তাঁর জীবনের বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে কিছু স্পর্শকাতর বিষয় ছিল, যেটা আমি শৈল্পিকভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু এটাকে মাননীয় সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা অশ্লীল বলছেন। এখন গল্পের প্রয়োজনে বয়ঃসন্ধিকালের কিছু দৃশ্য এড়িয়ে যাওয়া যায় না। বাস্তবতাকে তুলে ধরতে গিয়েই সমস্যার মুখোমুখি হলাম। ২৮ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। কী করব এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে কোনো ওটিটিতে মুক্তি দিতে পারি।’

default-image

বেশ কিছু জটিলতার কারণে চলচ্চিত্রটির কাজে ছিল ধীরগতি। ৭ বছরে ২৩ দফা শুটিং করে সম্প্রতি শেষ হয়েছিল চলচ্চিত্রটির কাজ। ‘প্রেম কাহন’ চলচ্চিত্রে তিনটি গল্পের একটিতে অভিনয় করেছেন শিল্পী শিমলা ও মামুন। তাঁদের বয়সের ব্যবধান প্রায় ১৫ বছরের। একে অন্যের প্রেমে পড়ে যান তাঁরা। ছবিটি পরিচালনার পাশাপাশি কাহিনিও লিখেছেন আনুশ। ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, মনিরা মিঠু, সোহেল খান, মুনমুন আহমেদ, শিমুল খান প্রমুখ।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন