বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

জায়েদ খান বলেন, ‘আদালত আগেই বলে দিয়েছেন, রায় নিষ্পত্তি হওয়ার আগে কেউ সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসতে পারবেন না। এ সময়ে কেউ নিজেদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়ে কোনো কার্যক্রম করতে পারবেন না। কিন্তু নিপুণ এসবের তোয়াক্কা না করেই শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চেয়ারে বসেছেন, অন্যান্য কাজ করছেন। নেমপ্লেট করেছেন, সেটা গণমাধ্যমেও এসেছে। আবার সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফুল দিচ্ছেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অন্যায়ভাবে অন্যান্য কার্যক্রম করেই যাচ্ছেন। এ জন্য আমরা পুনরায় আজ আদালত অবমাননার মামলা করেছি। আগামী রোববার আমরা মামলা নম্বর জানাতে পারব।’

default-image

জায়েদ খানের আইনজীবী নাহিদ সুলতানা বলেন, ‘গণমাধ্যমের খবরে এসেছে, তিনি (নিপুণ) সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসেছেন, কিছু কার্যক্রমেও অংশ নিয়েছেন। এ জন্য কিছুদিন আগে আমরা উচ্চ আদালতের নির্দেশ অবমাননার বিষয়ে অভিযোগ করেছিলাম। কারণ, তিনি কখনোই সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসতে পারেন না। কোনো কার্যক্রম করার অধিকার তাঁর নেই। তিনি যা করেছেন, সেটা কোর্টের আদেশকে অসম্মান করা। যে কারণে মামলার পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার মামলাটি কোর্টে উপস্থাপন করব।’

এ বিষয়ে নিপুণ বলেন, ‘এমন একটি অভিযোগের বিষয়ে জেনেছি। এটা নিয়ে আমি আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। তিনি বিষয়টি দেখভাল করবেন।’

default-image

গত ২৮ জানুয়ারি নির্বাচনে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে ভোটে জয় লাভ করেন জায়েদ খান। কিন্তু ফলাফল মেনে নেননি সাধারণ সম্পাদক পদে হেরে যাওয়া নিপুণ। তিনি আপিল করেন। পরে পদটি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এটি এখন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন উচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার শুনানির কথা থাকলেও এটি পিছিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার দিন ধার্য হয়েছে।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন