default-image

রোশান বলেন, ‘সেই প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন সময় কথা বলেছি। কিন্তু ফেসবুকে কী লিখব, কী লিখব না, এসব নিয়ে ভাবছিলাম। কারণ, একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস অনেক কিছু বহন করে। কে কীভাবে নেন, বলা যায় না। আর অনেকের মতো আমার সামর্থ্য ছিল না পরীমনিকে ছাড়িয়ে আনা। মন থেকে দোয়া করেছি। আজ মনে হলো তাকে জামিনের জন্য আদালতে তোলা হয়েছে। আজই তার জামিন পাওয়া উচিত। সে জন্য স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। সে মুক্তি পেয়েছে, সেটাই বড় কথা।’

পরীমনি এবং রোশান সর্বশেষ ‘মুখোশ’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। সিনেমাটির সিংহভাগ শুটিং শেষ হলেও এখনো ডাবিং বাকি আছে। শিগগিরই তাঁরা ডাবিংয়ে অংশ নেবেন।

default-image

স্ট্যাটাসে রোশান লিখেছেন, ‘পরী অনেক ছোটবেলায় মা-বাবা হারিয়েছে। তাঁরা থাকলে হয়তো মেয়েটির জীবন অন্য রকম হতো, আজকের এই দিনগুলোর মতো হতো না। ছোটখাটো ভুলের বাইরেও তার অনেক ভালো গুণ রয়েছে। জনপ্রিয় নায়িকা হওয়া ছাড়াও বহু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে বারবার। শাস্তি না দিয়ে সংশোধনের সুযোগ দিলে তার জীবনটা আরও সুন্দর হতে পারে। পরীর পারসোনাল লাইফ নিয়ে তেমন কিছু না জানলেও এটা জানি যে তার শত বছর বয়সী নানা তার জীবনে সব থেকে বড় আপনজন, যাঁকে সে তার বেঁচে থাকার বড় অবলম্বন মনে করে।’

default-image

রোশান আরও লিখেছেন, ‘সে ভার্টিগোতে আক্রান্ত। তার সঙ্গে আমার সর্বশেষ “মুখোশ” সিনেমায় কাজ হয়। কাজের সময় বারবার দেখেছি, তার সাডেনলি অসুস্থ হয়ে যাওয়া। যেটি আমাকে অনেক বেশি ব্যথিত করেছে। ২টি ছবিতে তাকে সহশিল্পী হিসেবে পেয়েছি। সেই সুবাদে যতটা দেখেছি পরী একজন মেধাবী অভিনেত্রী, মিশুক, পরোপকারী। চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে আমি তার মুক্তি চাই, সিনেমার স্বার্থে তাকে আমাদের আবারও প্রয়োজন। আমাদের অভিনেত্রী পরী আবারও আগের মতো কাজ করুক। যথেষ্ট হয়েছে আর কেউ তাকে নিয়ে বাজে কিছু বলবেন না। দিন শেষে এটাই সত্যি যে সে একজন মা ও বাবা–হারা এতিম মেয়ে। তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন