বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সোমবার বিকেলে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে আবু সাইয়ীদ বলেন, ‘কোনো সংগঠনের কেউ যদি সদস্য হয়, তার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ আসে—সেটা সত্যতা খুঁজে বের করার চেষ্টা করা উচিত। পরীমনিকে কেবল তো সন্দেহজনকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরীমনি হয়তো একটা সংগঠনেরই সদস্য, এই সময়টায় কোনো কিছু প্রমাণের আগে সদস্যপদ প্রত্যাহারের বিষয়টি ন্যক্কারজনক মনে করেছি। মোটেও ঠিক হয়নি। সমিতির উচিত ছিল এই সময়টায় তার পাশে থাকা। তাঁর সঙ্গে দেখা করে কথা বলার দরকার ছিল। তার কোনো সহযোগিতা দরকার কী না তাও জানার চেষ্টা করা উচিত ছিল। সে যদি সহযোগিতা না চায় সেটা ভিন্ন কথা।’

default-image

আবু সাইয়ীদ আরও বলেন, ‘সংগঠনের দায়িত্বই হচ্ছে তার সদস্যের যে কোনো সংকটে পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু একটা সময় যদি সেই সদস্যের অপরাধ প্রমাণিত হয়, তখন তাঁকে বহিষ্কার করবে সেটাই স্বাভাবিক। পরীমনির বিরুদ্ধে এখনো তো কোনো চার্জশিটও হয়নি, শুধু জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এমনিতেই করোনা মহামারি চলছে, এর মধ্যে মিটিং ও সংবাদ সম্মেলন করাটা মোটেও জরুরি ছিল না। তাদের কি এমন হলো যে, পরীমনির ব্যাপারে এত তাড়াহুড়ো করল। তার মানে এর মধ্যে কোনো জটিলতা আছে। এক ধরনের সমস্যা আছে। তা না হলে এত তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু ছিল না। কারও কোনো চাপ তো ছিল না।’

default-image

জটিলতা বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন? জানতে চাইলে আবু সাইয়ীদ বলেন, ‘আমার আসলে এখানে শুধু পরীমনিকে ফ্যাক্টর মনে হচ্ছে না। এর সঙ্গে আরও অনেক কিছু হয়তো জড়িত। পরীমনির ব্যাপারে শিল্পী সমিতির এমন সিদ্ধান্ত রহস্যজনক। বিষয়টা তো এমন না যে, পরীমনির সদস্যপদ স্থগিত না করলে অরাজকতা তৈরি হবে। কেন এত দ্রুত সিদ্ধান্ত নিল, শিল্পী সমিতির ভূমিকা সত্যিই রহস্যজনক।’
চলচ্চিত্র ও মিডিয়া বিশ্লেষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফাহমিদুল হক পরীমনিকে নিয়ে শিল্পী সমিতির এমন সিদ্ধান্তে ‘নিন্দা’ জানিয়েছেন। সাদী সাদাত নামের একজন লিখেছেন, পরীমনি অপরাধী কিনা সে, সেটা আইন আদালত দেখবে। কিন্তু শিল্পী সমিতির আচরণ একদম হিংসাত্মক,ব্যক্তিগত আক্রোশ—সেটারই বহিঃপ্রকাশ। তারা হয়তো ভুলে গেছে,এই দিন দিন নয়,আরও দিন আছে।’
পরিচালক অরণ্য আনোয়ার লিখেছেন, ‘মুখ সুবিধাবাদীদের দল সব।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন